৳ শিরু কাকা
পর্ব ৪
শেষ পর্ব -
-কাকা এই নিন আয়না!!!
-তুই এই আয়না দিয়ে নিজের চেহারা দেখ আর হাটতে থাক???
-জ্বি কাকা।
আমি আর সজিব হাটাতাছি। সজিব আমার কথা মতো।উফ!!!আয়না দিয়ে তার নিজের চেহারে দেখতাছে।আর এমন অঙ্গি-ভঙ্গী করতাছে সে যেন সত্যি তার রুপচর্চা করছে।আসলে কি জানিস আমি কিন্তু তোর বড় ভাইকে বেশী মিস করছি!!
আমি বললাম
-কাকা বাদ দেও ওর কথা ঘটনায় আসো তারপর কি হয়ছিল???
-হুম। সে আয়না দিকে তাকিয়ে হাটতাছে হাটতাছে।আমি বাড়িতে আসলে বাড়িতে না গিয়ে আমি এক বস্তিতে ঢুকে যাই।সেখান থেকে এক ঘরে নক করি।ঘরের থেকে আওয়াজ আসল।
-কে কে কইতাছচ
আমি আস্তে আস্তে বললাম
-শরীফ আমি শিরু!!!
-স্যারঁ।আইতাছি।
দুয়ার খুলছে শরীফ।আমরা গিয়ে শুয়ে পড়লাম।
সকালে সজিব আমাকে জিজ্ঞাস করল।
-কাকা এটা কার ঘর।তাছাড়া আমাদের বাড়ি ছেড়ে তুমি এখানে আসলে কেন???
-সময় এলে সব বুজবি।
-ওকে।
সকালে আমরা ওই বাড়ি থেক বের হয়ে ডাইরেক্ট ওই মহিলার বাড়িতে গেলাম।যাওয়ার পথে এক লোক সামনে আসল।অবশ্য আমি তাকে চিনি তাই শরীফকে বললাম।
-শরীফ এই হলো সেই লোক যিনি আমাদের সাহায্য করাবেন।কাল এনার সাথে ছিলাম।
-ওও কাকা।
আমি সজিব সারাদিন পাহারা দিয়ে বাড়ি ফিরবো সাথে ছিল শরীফ।পুচকেউং পুচকেউং।হঠাৎ একটা গুলি এসে শরীফের গায়ে লাগল।আমি জানতাম কোথায় থেকে এসেছে সেটাও আমি জানতাম।আমার কাছে একটা রিবালভার ছিলো লাইসেন্স করা।মিশনের আগে নিয়েছিলাম শুধুমাত্র সজিব জানে রিভালবারে সম্পর্কে।আমি শরীফ গুলি মারার সাথে সাথে যেখান থেকে গুল্লি আসল সেইখানে গেলাম এবং আমি সেইখানে গিয়ে দেখলাম শুট্যার পালাচ্ছে।আমি রিভালবার বের করে শুট্যা করলাম ঠিক তার হাতে। যেন সে পালাতে পারে। ঠিক পরে আরেকটা গুলি করলাম তার তার অই হাতে।সে দৌড়াচ্ছে আবিরাম।আমি আর সজিব শরিফকে তুলে নিয়ে সোজা হাসপাতাল।সজিব আমাকে জিজ্ঞাস করে।
-কাকা??
-কি???
-কাকা আপনি আমাকে বলবেন।যে কেন আপনি শুট্যারকে হাতে গুলি মারলেব কেন?? হাতে কেন মারলেন না???
কাল রাতে আয়নায় বার করতে বললেন কেন???
আসলে আমি যে শুট্যার কে হাতে গুলি করেছি সব সজিব দেখছে।
-তাহলে শোন!তুই কাল রাত আমাদের পিছনে পিছনে কেউ আসছে তুই বলছিল না??
-হ্যাঁ কাকা।
-সত্যি কেউ আসছিল তার চেহারা দেখার জন্য তার শরীরের কিছু অংশ দেখতে পেলাম।চেহারার খানিকটা দেখতে পেয়েছি।সকালে অই ম্যাডামে জামাইর শালক তাকে দেখার পরে আমার মমনে হলো তিনি অই লোক যিনি আমাদের ফলো করছিল রাতে।চল।অই শালককে খুজি।
তখন অনেক রাতে হয়ে গেছে তাই আর গেলাম না।সকালে আমি মহিলার বাড়িতে গেলাম গিয়ে দেখলাম শালক শুয়ে আছে। আমি তাকে শুধু একটা প্রশ্ন কেন মেরেছিলে তাকে।সে উত্তর দিলো।
-কাকে মেরেছি??
-তোমার দুলাভাইকে যিনি মারা গেছেন।
-না আমি না।
-ওকে ওকে।
আমি সি আইডি মেইন হেড অফ বাংলাদেশ জুনিয়র ডিরেক্টর কে ফোন দিলাম।
-হ্যালো স্যার।
-হ্যাঁ শিরু বলো।
স্যারকে পুরো কাহিনী খুলে বললাম।স্যারকে আরো বললাম।
-নামুজস স্যার ওদের থেকে মোটা পরিমাণে টাকা ঘুষ নিয়ে কেস ক্লোজ করে দিয়েছে।
-তার উপড় রিএকশন আমি নেবো।
আমি জিহাদ জিজ্ঞাস করলাম কাকাকে
-তোমার কথা কেন উনি বিশ্বাস করলেন।
-উনার একটা উপকার করেছিলাম।পরে একদিন বলব।আগে বাকী অংশ শুনেনে।
-বল?
-তারপর অই শালককে আটক করা হলো।পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করল।রিমান্ড হলো।সত্যকথা সে বলল
"আমি আমার দুলাভাইর কাছ থেকে বিশ হাজার টাকা চেয়েছিলাম।কিন্তু সে আমাকে দেয় নি।আমি তার রাগের সাথে কথা বললাম।এক সময় মারামারি দিকে চলে গেল।নিজের অজান্তেই আমার হাতে ফল কাটার ছুরি আসে।আমি পেটে ঢুকিবই তখনি আমার বোন আমার হাতে ছুরি ধরেই বলে
-ছিঃ তুই একয়টা টাকার জন্য খুন করছিস।
এই বলেই রুমাল বের করে হঠাৎ দুলাভাইর নাকে চেপে অজ্ঞান করে দেয়।আমি আর বোন এটাকে আত্মহত্যা হিসাবে চালিয়ে দেই।আর যখনি গোয়েন্দা শিরু আমাদের এই কেসে তন্দত করা শুরু করে তখনি আমি নাজমুস স্যার কে ১লক্ষ টাকা ঘুষ দেই সে কেস ক্লোজ করে দেই।তারপর আমি নিশ্চিন্ত অনুভব করি।হঠাৎ নতুন দারোয়ানের প্রতি আমার সন্দেহ সৃষ্টি হয়।
আমি সেই সন্দেহের তাগিদের তাকে রাতে ফলো করলাম।কিন্তু তাকে দেখলাম বস্তির ভিতরে ঢুকতে তাই সন্দেহ কেটে গেলো।কিন্তু পরের দিন আমার সন্দেহ ঠিক হলো।দারোয়ান আর কেউ নয় সে হলো গোয়েন্দা শিরু। আমি তাকে মারার জন্য তাকে রাতে গুলি করি।কিন্তু আমি এটাতে এত্তো অভিজ্ঞ ছিলাম।তাই মিস্টেক হয়ে গেল।তারপর সে আমাকে গুল্লি করল।"এর মাধম্যে আমার জিবনের আরেকটা মিশন পুরো করলাম।আর বুঝিয়ে দিলাম।
# CID_IS_NEVER_DIE
লেখকের কথা:ধন্যবাদ সবাইকে আমার সাথে থাকার জন্য।আর দোয়া করবেন যেন শিরু কাকা পার্ট-2 বের করতে পারি।
কলম বাজ একটি ফেসবুক সাহিত্য গ্রুপ।আমরা গ্রুপের লেখাগুলা ভার্চুয়াল জগতে তুলে ধরি।
আমাদের গ্রুপে জয়েন হতে হলে এখানে ক্লিক করুন
join now
গ্রুপের এডমিন ও ব্লগের পরিচালক মোহাম্মদ জাহিদ প্রোফাইল লিংক
প্রোফাইলে যান
গ্রুপের আরেক এডমিন শুক্ষকোন আহম্মেদ তার প্রোফাইলের ফেসবুক লিংক:-
শুক্ষকোন প্রোফাইল এ যান
মো : শামিম আহমেদ সুমন।
আমাদের ব্লগের নতুন লেখক।
তিনিও আমাদের ব্লগের জন্য গল্প লিখবেন
ধন্যবাদ জানাই শামিম ভাইকে..
পর্ব ৪
শেষ পর্ব -
-কাকা এই নিন আয়না!!!
-তুই এই আয়না দিয়ে নিজের চেহারা দেখ আর হাটতে থাক???
-জ্বি কাকা।
আমি আর সজিব হাটাতাছি। সজিব আমার কথা মতো।উফ!!!আয়না দিয়ে তার নিজের চেহারে দেখতাছে।আর এমন অঙ্গি-ভঙ্গী করতাছে সে যেন সত্যি তার রুপচর্চা করছে।আসলে কি জানিস আমি কিন্তু তোর বড় ভাইকে বেশী মিস করছি!!
আমি বললাম
-কাকা বাদ দেও ওর কথা ঘটনায় আসো তারপর কি হয়ছিল???
-হুম। সে আয়না দিকে তাকিয়ে হাটতাছে হাটতাছে।আমি বাড়িতে আসলে বাড়িতে না গিয়ে আমি এক বস্তিতে ঢুকে যাই।সেখান থেকে এক ঘরে নক করি।ঘরের থেকে আওয়াজ আসল।
-কে কে কইতাছচ
আমি আস্তে আস্তে বললাম
-শরীফ আমি শিরু!!!
-স্যারঁ।আইতাছি।
দুয়ার খুলছে শরীফ।আমরা গিয়ে শুয়ে পড়লাম।
সকালে সজিব আমাকে জিজ্ঞাস করল।
-কাকা এটা কার ঘর।তাছাড়া আমাদের বাড়ি ছেড়ে তুমি এখানে আসলে কেন???
-সময় এলে সব বুজবি।
-ওকে।
সকালে আমরা ওই বাড়ি থেক বের হয়ে ডাইরেক্ট ওই মহিলার বাড়িতে গেলাম।যাওয়ার পথে এক লোক সামনে আসল।অবশ্য আমি তাকে চিনি তাই শরীফকে বললাম।
-শরীফ এই হলো সেই লোক যিনি আমাদের সাহায্য করাবেন।কাল এনার সাথে ছিলাম।
-ওও কাকা।
আমি সজিব সারাদিন পাহারা দিয়ে বাড়ি ফিরবো সাথে ছিল শরীফ।পুচকেউং পুচকেউং।হঠাৎ একটা গুলি এসে শরীফের গায়ে লাগল।আমি জানতাম কোথায় থেকে এসেছে সেটাও আমি জানতাম।আমার কাছে একটা রিবালভার ছিলো লাইসেন্স করা।মিশনের আগে নিয়েছিলাম শুধুমাত্র সজিব জানে রিভালবারে সম্পর্কে।আমি শরীফ গুলি মারার সাথে সাথে যেখান থেকে গুল্লি আসল সেইখানে গেলাম এবং আমি সেইখানে গিয়ে দেখলাম শুট্যার পালাচ্ছে।আমি রিভালবার বের করে শুট্যা করলাম ঠিক তার হাতে। যেন সে পালাতে পারে। ঠিক পরে আরেকটা গুলি করলাম তার তার অই হাতে।সে দৌড়াচ্ছে আবিরাম।আমি আর সজিব শরিফকে তুলে নিয়ে সোজা হাসপাতাল।সজিব আমাকে জিজ্ঞাস করে।
-কাকা??
-কি???
-কাকা আপনি আমাকে বলবেন।যে কেন আপনি শুট্যারকে হাতে গুলি মারলেব কেন?? হাতে কেন মারলেন না???
কাল রাতে আয়নায় বার করতে বললেন কেন???
আসলে আমি যে শুট্যার কে হাতে গুলি করেছি সব সজিব দেখছে।
-তাহলে শোন!তুই কাল রাত আমাদের পিছনে পিছনে কেউ আসছে তুই বলছিল না??
-হ্যাঁ কাকা।
-সত্যি কেউ আসছিল তার চেহারা দেখার জন্য তার শরীরের কিছু অংশ দেখতে পেলাম।চেহারার খানিকটা দেখতে পেয়েছি।সকালে অই ম্যাডামে জামাইর শালক তাকে দেখার পরে আমার মমনে হলো তিনি অই লোক যিনি আমাদের ফলো করছিল রাতে।চল।অই শালককে খুজি।
তখন অনেক রাতে হয়ে গেছে তাই আর গেলাম না।সকালে আমি মহিলার বাড়িতে গেলাম গিয়ে দেখলাম শালক শুয়ে আছে। আমি তাকে শুধু একটা প্রশ্ন কেন মেরেছিলে তাকে।সে উত্তর দিলো।
-কাকে মেরেছি??
-তোমার দুলাভাইকে যিনি মারা গেছেন।
-না আমি না।
-ওকে ওকে।
আমি সি আইডি মেইন হেড অফ বাংলাদেশ জুনিয়র ডিরেক্টর কে ফোন দিলাম।
-হ্যালো স্যার।
-হ্যাঁ শিরু বলো।
স্যারকে পুরো কাহিনী খুলে বললাম।স্যারকে আরো বললাম।
-নামুজস স্যার ওদের থেকে মোটা পরিমাণে টাকা ঘুষ নিয়ে কেস ক্লোজ করে দিয়েছে।
-তার উপড় রিএকশন আমি নেবো।
আমি জিহাদ জিজ্ঞাস করলাম কাকাকে
-তোমার কথা কেন উনি বিশ্বাস করলেন।
-উনার একটা উপকার করেছিলাম।পরে একদিন বলব।আগে বাকী অংশ শুনেনে।
-বল?
-তারপর অই শালককে আটক করা হলো।পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করল।রিমান্ড হলো।সত্যকথা সে বলল
"আমি আমার দুলাভাইর কাছ থেকে বিশ হাজার টাকা চেয়েছিলাম।কিন্তু সে আমাকে দেয় নি।আমি তার রাগের সাথে কথা বললাম।এক সময় মারামারি দিকে চলে গেল।নিজের অজান্তেই আমার হাতে ফল কাটার ছুরি আসে।আমি পেটে ঢুকিবই তখনি আমার বোন আমার হাতে ছুরি ধরেই বলে
-ছিঃ তুই একয়টা টাকার জন্য খুন করছিস।
এই বলেই রুমাল বের করে হঠাৎ দুলাভাইর নাকে চেপে অজ্ঞান করে দেয়।আমি আর বোন এটাকে আত্মহত্যা হিসাবে চালিয়ে দেই।আর যখনি গোয়েন্দা শিরু আমাদের এই কেসে তন্দত করা শুরু করে তখনি আমি নাজমুস স্যার কে ১লক্ষ টাকা ঘুষ দেই সে কেস ক্লোজ করে দেই।তারপর আমি নিশ্চিন্ত অনুভব করি।হঠাৎ নতুন দারোয়ানের প্রতি আমার সন্দেহ সৃষ্টি হয়।
আমি সেই সন্দেহের তাগিদের তাকে রাতে ফলো করলাম।কিন্তু তাকে দেখলাম বস্তির ভিতরে ঢুকতে তাই সন্দেহ কেটে গেলো।কিন্তু পরের দিন আমার সন্দেহ ঠিক হলো।দারোয়ান আর কেউ নয় সে হলো গোয়েন্দা শিরু। আমি তাকে মারার জন্য তাকে রাতে গুলি করি।কিন্তু আমি এটাতে এত্তো অভিজ্ঞ ছিলাম।তাই মিস্টেক হয়ে গেল।তারপর সে আমাকে গুল্লি করল।"এর মাধম্যে আমার জিবনের আরেকটা মিশন পুরো করলাম।আর বুঝিয়ে দিলাম।
# CID_IS_NEVER_DIE
লেখকের কথা:ধন্যবাদ সবাইকে আমার সাথে থাকার জন্য।আর দোয়া করবেন যেন শিরু কাকা পার্ট-2 বের করতে পারি।
কলম বাজ একটি ফেসবুক সাহিত্য গ্রুপ।আমরা গ্রুপের লেখাগুলা ভার্চুয়াল জগতে তুলে ধরি।
আমাদের গ্রুপে জয়েন হতে হলে এখানে ক্লিক করুন
join now
গ্রুপের এডমিন ও ব্লগের পরিচালক মোহাম্মদ জাহিদ প্রোফাইল লিংক
প্রোফাইলে যান
গ্রুপের আরেক এডমিন শুক্ষকোন আহম্মেদ তার প্রোফাইলের ফেসবুক লিংক:-
শুক্ষকোন প্রোফাইল এ যান
মো : শামিম আহমেদ সুমন।
আমাদের ব্লগের নতুন লেখক।
তিনিও আমাদের ব্লগের জন্য গল্প লিখবেন
ধন্যবাদ জানাই শামিম ভাইকে..


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন