১ম পর্ব
লাঠি ম্যান
একদা এক সময় তখনও ব্রিটিশ শাসন কায়েম হইনি। কিন্তু উড়া ব্যবসা করতে এসছে এই বাংলার মাটিতে। এই বাংলায় একটা রাজ্য ছিলো। যার নাম পাখি পুর। সে দেশে রাজা হলো নকিব আহমাদ। তাদের রাজ্য ছিলো ছোট কিন্তু ছিল অনেক উন্নীত। অনেক সুন্দর অনেক মধুর। সেই দেশেও ব্রিটিশরা ব্যবসা করতে এসেছিল।
পাখিপুর রাজ্য ছিল ইসলামিক রাজ্য। সেই দেশে ব্রিটিশরা যখন আসে একজন মহিলা আসে তাদের সাথে।
পাখিপুর সভায় কথোপকথন
রক্ষি:পাখিপুর রাজ্যের রাজা নকিব আসিতেছে।(আস্তে আস্তে রাজা তার সিংহাসনে বসল।)
মন্ত্রী (আলউল): রাজাসাহেব আজ আপনি অনেক হাসি মুখে দেখা যাছে।
রাজাঃ হাসি খুশি দেখাবেনা আবার ইংরেজরা আসছে আমাদের দেশে। কিন্তু আমার ভয় লাগছে ওরা যদি আআমাদের সাথে বেইমানি করে।
এই ব্যাপারে কি বলেন হুজুর(হুজুর সভা আরেক সদস্য)
হুজুর : মহানবী (সঃ) তো কাফের দের চুক্তি করেছিল সেরকম আপনি করতে পারেন।
সেনাপতি(রফিকু): আসুক সমস্যা নাই।
রাজাঃ আচ্ছা তোমাদের সবার একই মত তাই ওরা আসতে পারবে।
. (সেনাপতি রফিক তিনি কোনো যদ্ধতে হারেনি।তিনি কোনো যুদ্ধে তীর অথবা ভল্লম ব্যবহার করেনি শুধু করেছে লাঠি।)
#সেনাপতির_বাড়িতে
সেনাপতির বউ(আমেনা): কিগো এসেছ...... যাও পুকুরে গিয়ে গোসলটা সেরে নেও।তোমার জন্য আমি খাবার তৈরি করছি।
পাশ থেকে চিৎকার তার ছেলে জিহাদের। (তার ছেলে জিহাদ। সব দিক দিয়ে পুটু। পড়ালেখা,যুদ্ধবিদ্ধা,এবং লাঠি চালানো । এই কাহিনী শুধু তার বাবায় জানে আর কেউ জানেনা।)
জিহাদ: আব্ব ভালো আছো?(অনেক দিন পরে ছেলে নানা বাসা থেকে আসেছে)
২য়
জিহাদঃআব্বা কেমন আসেন?
সেনাপতিঃ আলহামদুলিল্লাহ! ভালো আছে! তুমি কেমন আছো নানা বাড়ীতে কেমন কাটালে। পড়ালেখা সব বাদ দিয়েকি শুধু ঘুড়েছো নাকি।
জিহাদ:না, আব্বা পড়ালেখা করতে পারিনি কিন্তু সেখানে লাঠি চালানোএকটি নতুন পদ্ধতি শিখিছি।
সেনাপতিঃও আচ্ছা। কখন আসেছো
জিহাদঃ আব্বা জি! আর একটু আগে এসিছি।
সেনাপতিঃতাহলে,খাবার দাবার খেয়ে শুয়ে পড়ো।
পরের দিন রাজ সভায়
মহারাজাঃ জানো আজ তোমাদের ব্রিটিশ দের পরিচয় করিয়ে দেবো। তারা এখানে ব্যবসা করতে আসেছে।
(সভা সদ্দ্য চুপ)
মহারাজাঃএই যে দেখছো এইনি হলো জেমস,ইনি হলো রাবিব,ইনিই হলেন সান্তিন, আর একজন মেয়ে আছে।মেয়েটির নাম জুলিয়াট।।।।🙉✌সেনাপতি তুমি ওদের খুব ভালো ভাবে দেখাশুনা করো।
সেনাপতিঃযো আজ্ঞা! হুজুর...
পাশের রাজ্যের সভা
(পাশের রাজ্যের নাম খোলিকপুর। রাজার নাম রাদিব খান।)
রাজা(রাদিব):তোমরা কি যান। পাখিপুর সেখানে ব্রিটিশরা ব্যাবসা করতে আসেছে নাকি।
মন্ত্রী(জাবর):হ্যা।রাজামশাই আপনি ঠিক বলেছেন।
রাজা: হুম..... আমাদের এখানে আসিনি কেন? এর একটা বিহিত চাই সবাই বুদ্ধি বের করো।থাক তোমাদের বের করা দরকার নেই। আমি বের করে ফেলেছি। সেনাপতি ও মন্ত্রী আমার সাথে একা কথা বলতে আসো।
(খোলিকপুরেররাজামশাইর বাড়িতে নিয়ে গেছে তাদের)
রাজাঃমন্ত্রী! তুমি কাল সেনাপতির সাথে পাখিপুরে যাবে তারপর তোমরা ব্রিটিশদের উপর হামলা করতে হবে।
মন্ত্রীঃ কি! বলেন মহারাজ ওরা আমাদের প্রতি আরো ক্ষেপে যাবে।
রাজাঃ ওহ! মন্ত্রী তুমি কথা পুরটা না শুনে চিল্লাছো কেন?শুনো কথা বুজ।ওরাতো জানতেই পারবেনা যে আমরা হামলা করিছি। ওরা বুজবে অন্য রাজ্য হামলা করেছে। ওরা পাখিপুর রাজ্যের সেনাপতির উপর রাগ করে। চলে আমাদের রাজ্যে।
(তারপর হাসছে তো হাসছে তিন জনই)
৩য় পর্ব
(জিহাদের ব্যাপারে কিছু তথ্য যা জানা খুব প্রয়োজনিয়ো। জিহাদের চার বন্ধু। লাবিব,সাবু,নাইটা,ফয়েজ।তাদের নাম এক কিন্তু তাদের ডাকা হয়এক। আলাদা আলাদা। যেমনঃ সাবিব এর ভালো নাম সাইফুর রহমান।
জিহাদ খুব মেধাবী কিন্তু বুদ্ধি হাটুর নিচে। আমারা একটা কাহিনী শুনলে সব বুজতে পারব।
একদিন তার পাঠশালায় পরীক্ষা চলছিল।
হুজুরঃ আজ সবাইর দিত্বীয় সাময়িক পরিক্ষা।
জিহাদঃ সাময়িক শব্দের অর্থ কি? হুজর! একটু বলে দিলে ভালো হতো আরকি।
হুজুরঃ এইটা তোর বইয়ের কোন জায়গায় নাই তাই তুমি এইটা না জনলেই হবে কিভাবে হবে যদি আমি এইটার সম্পর্কে যদি না জানা পরিক্ষা দেবো কি করে।
হুজুরঃ আরে পাগল! সাময়িক সম্পর্কে না জানলে পরীক্ষা দিতে পারবি না কেন? এই পরীক্ষাতো আর সাময়িক এর উপড়েনা। বাংলা সাহিত্যের উপড়ে।
জিহাদঃ ওওওওও..... হুজুর আমি বুজতে পারিনি আরকি! মাফ করে দেবেন।
হুজুরঃ তুই আমার অনেক সময় খরচ করে দিলি তোকে ক্ষমা করা যাবে না।
জিহাদঃ হুজুর আপনি যদি আমাকে ক্ষমা না করেন তাহলে আল্লাহ আপনাকে কেয়ামতের সেই কঠিন দিনে আল্লাহ আপনাকেও ক্ষমা করবেন না।
হুজুর....... তাই আমাকে দয়া করে ক্ষমা করে দিন।
হুজুর তো বিপদে পড়ে গেল ক্ষামাও করা যায় না করলেও সমস্যা।
হুজুরঃ যাহ! মাফ করে দিলাম। আর কখনও করবিনা। তাহলে আর ক্ষমা করবেনা।
আপনারা কিন্তু বুজবেন না ও চালাক ও চালাক না ও কথা একটু বেশি বলে।
অনেক দিন হইছে নানা বাড়িতে থেকে বাড়িতে আসেছে একবারাও বন্ধুদের সাথে দেখা করা হইনি।তাই দেখা করতে গেল।
(সবাই মন্ত্রীর বাগানের দেখা করতে সবাই আসল।)
ফয়েজঃকিরে জিহাদ তুই কেমন আসস?
জিহাদঃ আলহামদুলিল্লাহ! ভালো আছি! তোরা কেমন আছোছ।
লাবিব ও সাবিবঃ আমরাও আলহামদুলিল্লাহ আমরাও।
নাইটুঃ কিরে অনেক দিন হইছে আম চুরি করি নি! চল আজ আম চুরি করব।
জিহাদ : হি হি হি
সেনাপতিঃ আমি এখনি..... আসছি!তুমি সবাই কে অস্র নিয়ে তৈরি থাকতে বলো....
রক্ষিঃ যো আজ্ঞা হুজুর....
(রক্ষি চলে গেল....এবার জিহাদের সাথে কথোপকথন....)
সেনাপতিঃ জিহাদ.... ওঠ চল....
জিহাদঃ আব্বা কোথায়....
সেনাপতিঃ আয়...না..
জিহাদঃ আচ্ছা....
(অতিথি ভবনের সামনে মাঠে যুদ্ধ করছে। জিহাদ লাঠি এবং তোলোয়ার নিয়ে যুদ্ধ করছে।কিন্তু সেনাপতি শুধু লাঠি দিয়ে যুদ্ধ করছে.... হঠাত ব্রিটিশরা টের পেয়েগেল...)
জেমসঃ what is this....এইগুলো কিভাবে হলো...
(এক রক্ষি এসে বললেন)
রক্ষিঃ হুজুর... অন্য দেশ আমাদের আক্রমণ করেছে..আপনারা ভয় পাবেননা। সেনাপতি আছে না...
রাবিবঃ who is this senapothi man?
রক্ষিঃ আজ্ঞে হুজুর। বুজতে পারিনি...
জুলিয়েটঃ ও... বলতে চাচ্ছে... যে... কে সেনাপতি?
রক্ষিঃ সেনাপতি হলো রফিক।
রাবিবঃ ooo.... I see him...
জেমসঃ অই যে বুজছি....
(রক্ষি তাদের যুদ্ধ দেখাতে নিয়ে যাচ্ছে)
রক্ষিঃ ওই যে একা যুদ্ধ করছে আমাদের সেনাপতি।
জেমসঃ ওনার হাতেতো কিছুই নে।হ্যা আছে কি আছে?
রক্ষিঃ লাঠি। ওনার হাতে লাঠি আছে।
রাবিবঃ what is lathi?
জুলিয়েটঃ wow.... অসাধারণ He is excellent. তার নাম হওয়া দরকার লাঠি man...
জেমসঃ লাঠি mAn. this is a fanny name.
জুলিয়াটঃ no it is not a funny name, it is sirrrious name.... দেখো ও কোন অস্র চাড়া ১০০ জন সৈনিকে মারার ক্ষমতা রাখে।
রাবিবঃ right juliat you are right.
জেমসঃ ওকে.. তোমাদের কথা যুক্তি আছে...
(হঠাত বিজয় চিৎকারের শব্দ)
রাবিবঃ what is this sound rokkhi?
রক্ষিঃ আজ্ঞে বুজতে পারিনি...
জেমসঃ ও... বলতে চাচ্ছে এটা কিসের শব্দ?
রক্ষিঃ কোথায়? ওওও.... এইটা বিজয় আনন্দ চিৎকার। এখন আমাদের জাতীয় সংগীত গাওয়া হবে।
(জাতীয় সংগীত গাওয়া হচ্ছে)
(পরের দিন সকালে সভায়)
শুক্ষকোন আহম্মেদ
&
মোহাম্মদ জাহিদ
লাঠি ম্যান
একদা এক সময় তখনও ব্রিটিশ শাসন কায়েম হইনি। কিন্তু উড়া ব্যবসা করতে এসছে এই বাংলার মাটিতে। এই বাংলায় একটা রাজ্য ছিলো। যার নাম পাখি পুর। সে দেশে রাজা হলো নকিব আহমাদ। তাদের রাজ্য ছিলো ছোট কিন্তু ছিল অনেক উন্নীত। অনেক সুন্দর অনেক মধুর। সেই দেশেও ব্রিটিশরা ব্যবসা করতে এসেছিল।
পাখিপুর রাজ্য ছিল ইসলামিক রাজ্য। সেই দেশে ব্রিটিশরা যখন আসে একজন মহিলা আসে তাদের সাথে।
পাখিপুর সভায় কথোপকথন
রক্ষি:পাখিপুর রাজ্যের রাজা নকিব আসিতেছে।(আস্তে আস্তে রাজা তার সিংহাসনে বসল।)
মন্ত্রী (আলউল): রাজাসাহেব আজ আপনি অনেক হাসি মুখে দেখা যাছে।
রাজাঃ হাসি খুশি দেখাবেনা আবার ইংরেজরা আসছে আমাদের দেশে। কিন্তু আমার ভয় লাগছে ওরা যদি আআমাদের সাথে বেইমানি করে।
এই ব্যাপারে কি বলেন হুজুর(হুজুর সভা আরেক সদস্য)
হুজুর : মহানবী (সঃ) তো কাফের দের চুক্তি করেছিল সেরকম আপনি করতে পারেন।
সেনাপতি(রফিকু): আসুক সমস্যা নাই।
রাজাঃ আচ্ছা তোমাদের সবার একই মত তাই ওরা আসতে পারবে।
. (সেনাপতি রফিক তিনি কোনো যদ্ধতে হারেনি।তিনি কোনো যুদ্ধে তীর অথবা ভল্লম ব্যবহার করেনি শুধু করেছে লাঠি।)
#সেনাপতির_বাড়িতে
সেনাপতির বউ(আমেনা): কিগো এসেছ...... যাও পুকুরে গিয়ে গোসলটা সেরে নেও।তোমার জন্য আমি খাবার তৈরি করছি।
পাশ থেকে চিৎকার তার ছেলে জিহাদের। (তার ছেলে জিহাদ। সব দিক দিয়ে পুটু। পড়ালেখা,যুদ্ধবিদ্ধা,এবং লাঠি চালানো । এই কাহিনী শুধু তার বাবায় জানে আর কেউ জানেনা।)
জিহাদ: আব্ব ভালো আছো?(অনেক দিন পরে ছেলে নানা বাসা থেকে আসেছে)
২য়
জিহাদঃআব্বা কেমন আসেন?
সেনাপতিঃ আলহামদুলিল্লাহ! ভালো আছে! তুমি কেমন আছো নানা বাড়ীতে কেমন কাটালে। পড়ালেখা সব বাদ দিয়েকি শুধু ঘুড়েছো নাকি।
জিহাদ:না, আব্বা পড়ালেখা করতে পারিনি কিন্তু সেখানে লাঠি চালানোএকটি নতুন পদ্ধতি শিখিছি।
সেনাপতিঃও আচ্ছা। কখন আসেছো
জিহাদঃ আব্বা জি! আর একটু আগে এসিছি।
সেনাপতিঃতাহলে,খাবার দাবার খেয়ে শুয়ে পড়ো।
পরের দিন রাজ সভায়
মহারাজাঃ জানো আজ তোমাদের ব্রিটিশ দের পরিচয় করিয়ে দেবো। তারা এখানে ব্যবসা করতে আসেছে।
(সভা সদ্দ্য চুপ)
মহারাজাঃএই যে দেখছো এইনি হলো জেমস,ইনি হলো রাবিব,ইনিই হলেন সান্তিন, আর একজন মেয়ে আছে।মেয়েটির নাম জুলিয়াট।।।।🙉✌সেনাপতি তুমি ওদের খুব ভালো ভাবে দেখাশুনা করো।
সেনাপতিঃযো আজ্ঞা! হুজুর...
পাশের রাজ্যের সভা
(পাশের রাজ্যের নাম খোলিকপুর। রাজার নাম রাদিব খান।)
রাজা(রাদিব):তোমরা কি যান। পাখিপুর সেখানে ব্রিটিশরা ব্যাবসা করতে আসেছে নাকি।
মন্ত্রী(জাবর):হ্যা।রাজামশাই আপনি ঠিক বলেছেন।
রাজা: হুম..... আমাদের এখানে আসিনি কেন? এর একটা বিহিত চাই সবাই বুদ্ধি বের করো।থাক তোমাদের বের করা দরকার নেই। আমি বের করে ফেলেছি। সেনাপতি ও মন্ত্রী আমার সাথে একা কথা বলতে আসো।
(খোলিকপুরেররাজামশাইর বাড়িতে নিয়ে গেছে তাদের)
রাজাঃমন্ত্রী! তুমি কাল সেনাপতির সাথে পাখিপুরে যাবে তারপর তোমরা ব্রিটিশদের উপর হামলা করতে হবে।
মন্ত্রীঃ কি! বলেন মহারাজ ওরা আমাদের প্রতি আরো ক্ষেপে যাবে।
রাজাঃ ওহ! মন্ত্রী তুমি কথা পুরটা না শুনে চিল্লাছো কেন?শুনো কথা বুজ।ওরাতো জানতেই পারবেনা যে আমরা হামলা করিছি। ওরা বুজবে অন্য রাজ্য হামলা করেছে। ওরা পাখিপুর রাজ্যের সেনাপতির উপর রাগ করে। চলে আমাদের রাজ্যে।
(তারপর হাসছে তো হাসছে তিন জনই)
৩য় পর্ব
(জিহাদের ব্যাপারে কিছু তথ্য যা জানা খুব প্রয়োজনিয়ো। জিহাদের চার বন্ধু। লাবিব,সাবু,নাইটা,ফয়েজ।তাদের নাম এক কিন্তু তাদের ডাকা হয়এক। আলাদা আলাদা। যেমনঃ সাবিব এর ভালো নাম সাইফুর রহমান।
জিহাদ খুব মেধাবী কিন্তু বুদ্ধি হাটুর নিচে। আমারা একটা কাহিনী শুনলে সব বুজতে পারব।
একদিন তার পাঠশালায় পরীক্ষা চলছিল।
হুজুরঃ আজ সবাইর দিত্বীয় সাময়িক পরিক্ষা।
জিহাদঃ সাময়িক শব্দের অর্থ কি? হুজর! একটু বলে দিলে ভালো হতো আরকি।
হুজুরঃ এইটা তোর বইয়ের কোন জায়গায় নাই তাই তুমি এইটা না জনলেই হবে কিভাবে হবে যদি আমি এইটার সম্পর্কে যদি না জানা পরিক্ষা দেবো কি করে।
হুজুরঃ আরে পাগল! সাময়িক সম্পর্কে না জানলে পরীক্ষা দিতে পারবি না কেন? এই পরীক্ষাতো আর সাময়িক এর উপড়েনা। বাংলা সাহিত্যের উপড়ে।
জিহাদঃ ওওওওও..... হুজুর আমি বুজতে পারিনি আরকি! মাফ করে দেবেন।
হুজুরঃ তুই আমার অনেক সময় খরচ করে দিলি তোকে ক্ষমা করা যাবে না।
জিহাদঃ হুজুর আপনি যদি আমাকে ক্ষমা না করেন তাহলে আল্লাহ আপনাকে কেয়ামতের সেই কঠিন দিনে আল্লাহ আপনাকেও ক্ষমা করবেন না।
হুজুর....... তাই আমাকে দয়া করে ক্ষমা করে দিন।
হুজুর তো বিপদে পড়ে গেল ক্ষামাও করা যায় না করলেও সমস্যা।
হুজুরঃ যাহ! মাফ করে দিলাম। আর কখনও করবিনা। তাহলে আর ক্ষমা করবেনা।
আপনারা কিন্তু বুজবেন না ও চালাক ও চালাক না ও কথা একটু বেশি বলে।
অনেক দিন হইছে নানা বাড়িতে থেকে বাড়িতে আসেছে একবারাও বন্ধুদের সাথে দেখা করা হইনি।তাই দেখা করতে গেল।
(সবাই মন্ত্রীর বাগানের দেখা করতে সবাই আসল।)
ফয়েজঃকিরে জিহাদ তুই কেমন আসস?
জিহাদঃ আলহামদুলিল্লাহ! ভালো আছি! তোরা কেমন আছোছ।
লাবিব ও সাবিবঃ আমরাও আলহামদুলিল্লাহ আমরাও।
নাইটুঃ কিরে অনেক দিন হইছে আম চুরি করি নি! চল আজ আম চুরি করব।
জিহাদ : হি হি হি
সেনাপতিঃ আমি এখনি..... আসছি!তুমি সবাই কে অস্র নিয়ে তৈরি থাকতে বলো....
রক্ষিঃ যো আজ্ঞা হুজুর....
(রক্ষি চলে গেল....এবার জিহাদের সাথে কথোপকথন....)
সেনাপতিঃ জিহাদ.... ওঠ চল....
জিহাদঃ আব্বা কোথায়....
সেনাপতিঃ আয়...না..
জিহাদঃ আচ্ছা....
(অতিথি ভবনের সামনে মাঠে যুদ্ধ করছে। জিহাদ লাঠি এবং তোলোয়ার নিয়ে যুদ্ধ করছে।কিন্তু সেনাপতি শুধু লাঠি দিয়ে যুদ্ধ করছে.... হঠাত ব্রিটিশরা টের পেয়েগেল...)
জেমসঃ what is this....এইগুলো কিভাবে হলো...
(এক রক্ষি এসে বললেন)
রক্ষিঃ হুজুর... অন্য দেশ আমাদের আক্রমণ করেছে..আপনারা ভয় পাবেননা। সেনাপতি আছে না...
রাবিবঃ who is this senapothi man?
রক্ষিঃ আজ্ঞে হুজুর। বুজতে পারিনি...
জুলিয়েটঃ ও... বলতে চাচ্ছে... যে... কে সেনাপতি?
রক্ষিঃ সেনাপতি হলো রফিক।
রাবিবঃ ooo.... I see him...
জেমসঃ অই যে বুজছি....
(রক্ষি তাদের যুদ্ধ দেখাতে নিয়ে যাচ্ছে)
রক্ষিঃ ওই যে একা যুদ্ধ করছে আমাদের সেনাপতি।
জেমসঃ ওনার হাতেতো কিছুই নে।হ্যা আছে কি আছে?
রক্ষিঃ লাঠি। ওনার হাতে লাঠি আছে।
রাবিবঃ what is lathi?
জুলিয়েটঃ wow.... অসাধারণ He is excellent. তার নাম হওয়া দরকার লাঠি man...
জেমসঃ লাঠি mAn. this is a fanny name.
জুলিয়াটঃ no it is not a funny name, it is sirrrious name.... দেখো ও কোন অস্র চাড়া ১০০ জন সৈনিকে মারার ক্ষমতা রাখে।
রাবিবঃ right juliat you are right.
জেমসঃ ওকে.. তোমাদের কথা যুক্তি আছে...
(হঠাত বিজয় চিৎকারের শব্দ)
রাবিবঃ what is this sound rokkhi?
রক্ষিঃ আজ্ঞে বুজতে পারিনি...
জেমসঃ ও... বলতে চাচ্ছে এটা কিসের শব্দ?
রক্ষিঃ কোথায়? ওওও.... এইটা বিজয় আনন্দ চিৎকার। এখন আমাদের জাতীয় সংগীত গাওয়া হবে।
(জাতীয় সংগীত গাওয়া হচ্ছে)
(পরের দিন সকালে সভায়)
শুক্ষকোন আহম্মেদ
&
মোহাম্মদ জাহিদ
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন