স্বপ্নদোষ → ট্রুম্যান লিগ অফ বিজ্ঞান ক্লাব _ পর্ব -২



স্বপ্নদোষ
(THE REAL LEADER)
পর্ব-২
লেখক:-শুক্ষকোন আহম্মেদ
(আমি যা লিখব তা কোন কিছুই বাস্তবের সাথে মিল নেই।কিন্তু এরকম ঘটে।কিন্তু আমার গল্প অনুযায়ী ঘটে নি।এটা পুরো কাল্পনিক।)
আল্লাহর অশেষ রহমতে কাউসার একটি বড় পলিটেকনিক্যালে অথবা টেকনিক্যাল চান্স পায়।সে ভালো ছিলো।প্রথম দিন ক্লাস করতে যাবে।পড়ালেখায় মোটামুটি ভালো ছিল।কলজের হালচাল ভালো ছিলো না।কাউসার কলেজের প্রধান গেটের ভিতর দিয়ে সোজা ক্লাসের উদ্দেশ্যে হাটা দিলো।তার পথ আটকাল নাদিম।
-অই কেরে তুই???
-আমি মানুষ।আশরাফুল মাকলুকাতের মধ্যে একজন।
-কি কাত???
-আশরাফুল মাকলুকাত। জিবনে নাম শুনছ???
-শুনছি শুনছি।এটা ইংরাজি শব্দ।এটার অর্থ ভালো মানুষ।তুই বুঝাইতে চাইছোছ যে তাই ভালো মানুষদের মধ্যে একজন।
হাসতেছে সবাই উইট আউট কাউসার।কাউসার হাসল না। সে সবাইকে বলল,
-হাসার কি আছে এখানে???বন্ধু এটা ইংরাজি শব্দ না।এটা আরবী শব্দ এটার মানে সৃষ্টির সেরা জিব।
-(হা করে তাকিয়ে থাকা ছাড়া কিছুই করার না তার)
কাউসার কথা না বাড়িয়ে চলে গেল ক্লাসের দিকে।বসে পড়ল মাঝামাঝি স্থানে দ্বিতীয় টেবিলে।একজন ছেলে এসে তাকে বলে,
-ভাই ভালো আছেন???
-আসসালামু আলাইকুম।
-অলাইকুম আসসলাম।
-ভালো আছেন ভাই???
-এইতো।আপনি???
-আলহামদুলিল্লাহ।
-ভাই আপনার যেই সাহস দেখলাম।
-ধন্যবাদ।
-ভাই আপনি বিজ্ঞানক্লাব অংশগ্রহণ করবেন???
-বিজ্ঞানক্লাব এটার কাজ কি???
-প্রতি ৩দিন পর পর আমরা ১ঘন্টার বিজ্ঞান শিক্ষা মেলা।
-ওকে ভাই।নাম নিয়া নেন।
-ধন্যবাদ।
-আপনাদের কলেজে।
-তুই???
-ওকে।তোদের কলেজে ধান্দা বাজের কি অভাব নাই??
-কেউ করছে নাকি???
-এখনি কইরা ফেলত???
-কেমনে বুজলা???
-ওর হাতে ছুরি ছিল।আর আমার এসবের অভিজ্ঞতা আছে।
-উফ।
-এখন তোরা ভিপিকে বিচার দিতে পারিস না???
-কি বলব ভাই এই বিগত নতুন ভিপি আসছে।আমরা বিজ্ঞান ক্লাব করতে হলে তাকে প্রতি সপ্তাহ তাকে ১০০০ টাকা দিয়ে তারপর আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।
-এটা কোন কথা হলো।
-আরে ভাই এখনতো শুরু।কি বলব তোকে।তুইতো আজ মেনেজ করছিস। নয়তো পকেটে যা পেতে সব জেপে দিতো।তুই একটু সাবধানে থাকিস।
-ওকে।তোর নামিতো জানা হলোনা???
-জাহিদ।আর তোর???
-কাউসার।
বলতে বলতে সুলতানা এসে কাউসারের পাশে বসল।
-হ্যালো গাইজ (সুলতানা)
-আসসালামু আলাইকুম (কাউসার)
-অলাইকুম আসসলাম।(থমথত খেয়ে উত্তর দিলো সুলতানা)
-সুলতানা।ও হলো এক সাহসী লোক যে আজ মুরাদকে থমমত খাইয়েছে।(জাহিদ)
-ওয়াও ইউ আর সো কিউট (এটা বলেই হাত ধরতে চেয়েছিল সুলতানা কিন্তু তাকে পাত্তা দিল না কাউসার)
-ধন্যবাদ (কাউসার)
-আর হ্যাঁ কাউসার। ইনি হলেন আমাদের কলেজের একটা সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন আছে সেটার ইনি হলে মডেরেটর।
(জাহিদ)
-এই আমি এখন ইডিটর মানে সম্পাদক।(সুলতান
া)
-আই লাইক ইট।(কাউসার)
-তুমি কি কর???(সুলতানা)
-তুই??(জাহিদ মনে করিয়ে দিলো সুলতানাকে)
-হ্যাঁ,হ্যাঁ কি ক্কি কি কি কোর??(সুলতানা)
-কথা এত্তো বাধছে কেন???(জাহিদ)
-হোয়াট আর ইউ ডুইং???(সুলতান)
-বাংলায় বল???(কাউসার)
-আসছে নাতো মুখে।(সুলতানা)
বলতে শিক্ষক এসে গেল।ক্লাস শুরু হয়ে গেল।ক্লাস শেষে তাড়াতাড়ি রুমে ফিরল সে।একলা আজ তার এন্ড্রোয়েড ফোন।ফেসবুক মুখ দিয়ে বসে থাকে ছাড়া আর কিছুই নেই।তারপর বাড়ির কথা প্রায়ই মনে পড়ছেন না তার।হঠাৎ আব্বুর কল।
-হ্যালো।কাউসার।
-আসসালামু আলাইকুম আব্বু।
-অলাইকুম আসসলাম।কেমন চলছে???
-আলহামদুলিল্লাহ ভাল।খাওয়া দাওয়া করিস কিন্তু ঠিক করে।আর বাবা শোন "সত্যের পথা গান গাইবি,মিথ্যার পথা গালাগালিও করবি"
-জ্বি আব্বা।
চলবে
↓↓



next part cooming soon

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন