| im a kolombuzz |
(THE REAL LEADER)
পর্ব -১
লেখক:শুক্ষকোন আহম্মেদ
(পাঠক গন, আসসালামু আলাইকুম ভালো আছেন।আমি শিরু কাকা গোয়েন্দা গল্পের পড়ে সপ্নদোষ নামক এই গল্পটি এনেছি।এটি কোন অশ্লীল গল্প নয়।এটি সামাজিক গল্প।এখনকার মত গল্প।আশা করি ভালো লাগবে।)
কঠিন বাতাসের ঝটকায় পড়ে গেল কাউসার।কারন আজ তাকে ঢাকায় যেতে হবে পড়া শুনার জন্য।কঠিন পরীক্ষায় আছে সে।কোনদিনও মাকে ছাড়া থাকার অভস্থ নয় সে।আজ তার বেরেই হবে ঢাকার উদ্দেশ্যে।
কষ্টে তার মনটা ফেটে যাচ্ছে।ব্যাগপত্র গুছিয়ে আব্বার সাথে বাসস্টান্ডে যাওয়ার জন্য তৈরী হলো।যাওয়ার কাউসার ও তার আম্মার হাউমাউ করে কেঁদে ফেলল।
যাওয়ার সময় বলল,
-আম্মা আসি(কাউসার)
-বাবা শহরে না গিয়ে এখনে কোথায় পড়লে হতো না।(মা)
-না না।ও এখন বড় হয়েছে কাউসারের মা।ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিয়ারনিরিং পড়তে ঢাকাতে যাওয়া লাগবে।(বাবা)
শেষ বারের মতো আবার বলল,
-মা আমি আসি(কাউসার কাদঁতে কাদঁতে অস্থির)
-যাহ বাবা সাবধানে যাস।(মা)
বাবার যাথে বাসস্টপ এর দিকে রওনা দিকে।টিস্যু দিকে চোখ মুছতে গিয়ে সে তার অর্ধেক টিস্যু শেষ হয়ে যায় কিন্তু তার চোখের পানি শেষ হয় না।হুম!এবার কাউসারের বাওডেটা বলি।কাউসার বড়িশাল জেলায় কাউয়ার চরে তাদের বাড়ি।কাউয়ার চর নামটা অদ্ভুত হলেও আসলে সে চরেই তারা থাকত।আগে জায়গায়টা ততটা উন্নত ছিল না।এখন হাল্কা পাতলা উন্নত।কাউসার সদ্য এস.এস.সি পাশ।ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য ঢাকা যাচ্ছে।আসলে তার বাবা-মার একমাত্র সন্তান তাই বলে কখন অন্য জায়গায় পাঠায় নি।কাউসার একদম সহজ-সরল। কিন্তু
তার সাথে কেউ চালাকে করতে আসলে সে হাতে নাতে বাশঁ দেয়। কিন্তু তার একটু শক্তি কম।কিন্তু ব্রেইনে আল্লাহর রহমতে জায়গা বেশী। একটু লম্বা।এখন অন্য ব্যাপারে একটু কম বুঝে।প্রেম-পিরিতি একটু বেশী অবজ্ঞা করে।ঢাকা এসে প্রথম তার বাবার এক বন্ধুর বাসায় উঠে।খুবই কষ্টে কাটে প্রথম কয়েকটা দিনগুলো।তার বাবার বন্ধুর সাথে কথা হয়েছে মাত্র ২০দিন তাদের বাড়িতে থাকবে।মানে সব পলিটেকনিক্যালে টেষ্ট দেওয়ার জন্য।হঠাৎ তার ফোন বাজল।সে স্বাভাবিক ভাবে ধরল।
-হ্যালো কাউসার কেমন আসিস বাবা???(এটা বলেই হাউ মাউ করে কেদেঁ উঠল তার মা)
-আলহামদুলিল্লাহ মা ভালো আছি।তুমি কেমন আছ??
(কান্না ধরে রাখার বহুত চেষ্টার পরেও সফল হয়নি কাউসার)
-থাকা-খাওয়া করতে অসুবিধা হচ্ছে কি???
-না মা।
-সত্যি!!!
-আল্লাহ যা করে ভালোর জন্যেই করে।
-আচ্ছা। রাখি।
-আচ্ছা ভালো।আব্বাকে ফোন করতে বল
জিবনের এই অংশটা খুবই কষ্টে যাচ্ছে সে।জিবনের ইচ্ছা গুলাই পূরন করতে নেমে পড়েছে কাউসার।পরীক্ষা শেষ মানে টেষ্ট পরীক্ষা শেষ ততটা খুশী হয়নি কাউসার। রেজল্টের উপড় তাকিয়ে আছে সে।মনটা আজ বেশী খারাপ।একাকী জীবনের ভিতরে এখনও অভস্থ হয় নি সে।চারদিকটা যেন আলোহীন হয়ে গেছে।শুধু মায়ের চোখের পানির কথা মনে পড়ছে।দেখতে দেখতে আসর গড়িয়ে মাগরিবে দিকে চলে গেল।নামাজটা পড়ার জন্য মসজিদের উদ্দেশ্যে রওনা দিল।আজই তার রেজাল্ট দিবে।এটা নিয়ে তার মাথাব্যথা। কারন এটার উপড়ে নির্ভর করছে সে কোন কলজে পড়বে অবশ্য সে এই প্রথম ভর্তি পরীক্ষা দিলো।এটাতে না চান্স পেলে অন্য চেষ্টা করবে কাউসার।
পরের দিন সকালে জানতে পারল যে,আল্লাহর রহমতে সে টেষ্টে পাশ করে।
↓
চলবে
(বিদ্রোহী গল্প)
খুব সুন্দর
উত্তরমুছুনখুব সুন্দর
উত্তরমুছুন