ড্রাক সেনাবাহিনী
Dark force
epidode 1
লেখক:- শুক্ষকোন আহম্মেদ
আমরা বেঁচে আছি এই পৃথিবীতে।এই পৃথিবীতে অনেক ছোট ছোট বড় বড় দেশ আছে। যেমন:- রাশিয়া,জার্মানি , ব্রাজিল,ফ্রান্স ,চীন,তুরুস্ক,বৃটিশ মানে ইংল্যান্ড,ইত্যা দি।আমরা সাধারণত এইসব পৃথিবীর শক্তিশালী দেশ হিসাবে জানি।এইসব দেশের ভিতরে একটা দেশ আছে যার নাম বাংলাদেশ।সব দেশেরেই একটা দেশ প্রতিরক্ষা বাহিনী থাকে তেমনি বাংলাদেশেরও আছে।এই দুনিয়া ছাড়া এই পৃথিবীতে আরেকটা জগত আছে যার নাম (Dark world) বা ইন্টারনেট জগত।পৃথিবীকে হাতের মুঠায় আনার জন্য বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীরে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেছেন। বাংলাদেশে এটার সবচেয়ে বেশী আর্বিভাব ঘটেছে ২০০০সালের পর থেকে। এটা আসার কারন মানব জগতের অনেক সুফল বয়ে এনেছে। এটা আসার ফলে আমি আগেই বলছি যে,আরেকটা জগত তৈরী হয়েছে যার নাম ( DARK WORLD)। এটা বাংলাদেশে খুব ভালভাবে তৈরি হয়েছে। ড্রাক ওয়াল্ডেও আরেকটা ক্ষতিকারক জিনিস অনেক আগেই তৈরী হয়েছে।যেটার নাম সাইবার যুদ্ধ। এটাতে এক দেশের হ্যাকারেরা আরেক দেশের ওয়েবসাইট হ্যাক করে কোন কাজে অথবা দাবী আদায়ের জন্য। দেশটি এর কারনে তারা এই কাজটা করতে রাজি হয় অথবা দেশটি তাদের তাদের দাবী না মেনে উল্টে আক্রমণ করে এটা আমরা সাইবার যুদ্ধ বলি। কিন্তু এই যুদ্ধটা কোন মাঠে হয়না তাই আমরাও জানতে পারি না সেই বীর দের সম্পর্কে।যারা লড়ে যাচ্ছেন দেশের জন্য। নামের জন্য না,দেশপ্রেমী হওয়ার সুবাদে।এখন সব জেনারেশনে আধুনিকতা ঠিকভাবে ডুকে নাই।আজকে যুদ্ধটা কড়াকড়ি হয়না চলে কাল্পনিক ভাবে দেখে নেই ২০৬৬সালে ইন্টারনেট,সাইবা র জগত,পৃথিবী ও বাংলাদেশ কেমন হবে।
২০৬৬সাল
আমি সুলতানা।রুমে আমার রোবটিক ঘড়িটা আমার কান কাছে এসে ভ্যান ভ্যান করতে শুরু করল।কারন এখন সকাল। সকাল ৭টা বাজে আজ শুক্রবার হওয়া সত্যেও আজ জেতে কম্পিউটার ল্যাবে যেতে হবে এখনি কারন আমার জন্য ওয়েট করছে জিহাদ,কাউসার,আই মান,জাহিদ।
যত তাড়াতাড়ি বেড়ানো যায় তত ভালো কারন জাহিদের প্যানপেনি ভালো লাগি নি। জাহিদ ছেলেটা আসলেই পাগল টাইপ।পাগলের মতো বিহেভ করে।
হ্যাকার জগতের মাষ্টার মাইন্ড সে।
আমি সুলতানা।রুমে আমার রোবটিক ঘড়িটা আমার কান কাছে এসে ভ্যান ভ্যান করতে শুরু করল।কারন এখন সকাল। সকাল ৭টা বাজে আজ শুক্রবার হওয়া সত্যেও আজ জেতে কম্পিউটার ল্যাবে যেতে হবে এখনি কারন আমার জন্য ওয়েট করছে জিহাদ,কাউসার,আই
যত তাড়াতাড়ি বেড়ানো যায় তত ভালো কারন জাহিদের প্যানপেনি ভালো লাগি নি। জাহিদ ছেলেটা আসলেই পাগল টাইপ।পাগলের মতো বিহেভ করে।
হ্যাকার জগতের মাষ্টার মাইন্ড সে।
আমি আমার রকেট স্কুটি দিয়ে প্রায় ১মিনিটে এসে পড়লাম ল্যাবে।
-আসছে দ্যা হ্যাকার মাইন্ড ফেমাস এন্ড ফেবুলেয়াইস সুলতানা মির্জা অরফে সেনেক।(জাহিদ)
-হ্যাঁ হইছে।দুই মিনিট যেন ওয়েট না করেছে মনে হয় পুরো ওয়াল্ড ঘুরে এসেছে।(সুলতানা)
-ফাইজলামি না করে কাজে লেগে পর।আজকে আরো দুইটা সিকিউরিটি ওয়াল বসাতে হবে।(জিহাদ)
-হুম কাল নাকি এক্স গ্যাং আমাদের সিকিউরিটি ভাঙ্গতে চেয়েছিল।(কাউসার )
-স্টুপিডরা এত্তো স্টুপিড নিজেরা আমাদের সিকিউরিটি ভাঙ্গতে এসে ভুলে আমাদের সিওসি চ্যালেঞ্জ দেইয়ে দেয়।তোরাতো কেউই ছিল না।আমি একলা ওদের এত্তো বামব্বু(বাশঁ) দিছি ওরা আরা দাড়াইতে পারব না।(আইমান)
-যাইহোক শুনছি আমাদেরBangla Aliment gang সম্পর্কে জানতে চেয়েছে রোভার টিম।মেসেজ আসছিল।(কাউসার)
-লিসেন গাইজ।যাইহোক না কেন।আমরা দেশের সাথে বেইমানি করব।বিদেশীদের হাতে হাত মিলাবোনা।বেইমান ি করবোনা। ইনশাল্লাহ!!!(জি হাদ)
-ওকে সবাই কাজে লেগে পড়।(সুলতানা)
আমরা বাংলা এলিমেন্ট গ্যাং। বাংলাদেশ সাইবার জগতে এখন ৩টা সাইবার গ্রুপ আছে যারা দেশকে হ্যাক থেকে বাঁচায়। এখন টপে আছে হলো জয় বাংলা সাইবার
গ্যাং। যাদের দাপটে প্রথিবীর বড় বড় ওয়েবসাইট কাপে।
অনেক সময় আমাদের সাইবারে সমস্যা আমরা তাদেরকে ইমেইল করতে হয়। আসলে তারা খুব দাপটের সাথে চলে। কিন্তু তারা যে কতজন সেটা সঠিক জানা যায়নি কেউ বলে হাজারের মতো হতে পারে কেউ বলে একশর মতো। আমরা আছি ২নাম্বারে।আর লাষ্ট আছে টাইগার গ্যাং।"যেই গ্যাং হোক না কেন আমরা নিজেরা কখনও জগড়া করব না " এটা বলেছে জয় বাংলা সাইবারের ডিরেক্টার। কিন্তু সুযোগ পেলে আমাদের সিকিউরিটি নষ্ট করে তারা। ওরা এটা বুঝেনা।যদি এটা বিদেশী হ্যাকারেরা জানতে পারে তাহলে আমাদের হঠাৎ আট্যাক করতে পারে।হয়তবা আমাদের নষ্ট করে দিতে পারি। এরকমই একটা দিন আমি বসে আছি টেবিলের উপড়ে ই-বুকে ক্লাসের বই পড়ছি আমি।যতই দেশের সেবা করি না কেন বাড়ির গার্জিয়ান আরতো সেটা করতে দিবে না। হঠাৎ আইমানের ফোন।
-হ্যালো।(আইমান)
-হুম বল।(সুলতানা)
-ল্যাপটপটা খুলে দেখ কি হয়েছে।
-কেন?কি হয়েছে?
-আমি বুঝতে পারছিনা।
-দাড়া আমি দেখতাছি তুই হ্লোড কর।
হ্লোড করতে বললাম হ্লোড করল না।ডাইরেক্ট কেটে দিলো।কি কিপ্টার কিপ্টা। ল্যাপটপ খুলে আমার চোখ ছানাবড়ার মতো হয়েগেল।দেখলাম আমার ল্যাপটপ লেখা উঠছে।"FINSH BANGLADESH" এরকম লেখা আছে।আমি ফেসবুকে গিয়ে সবাইকে ভিডিও চ্যাট গ্রুপের আসার জন্য ধীর ভাবে অনুরোধ করলাম।প্রায়াই সবাই আসল কিন্তু জাহিদ আসল না।হ্লায় এরকমই কামের সময় থাকে না সে।শুধু খাওয়ার সময় আর ঘুমের সময়।
নাহ ওকে উঠাতে হবে।তাকে ফোন দিলাম আমি।
-হ্লো।
-কিরে শুয়ার রাতে ফোন দেছ ক্যান???
-সাইবার শেষ।বাংলাদেশের হয়তবা সব ওয়েবসাইট হ্যাক।
-হোয়াট।
-হুম।ল্যাপটপ খুলে ভিডিও চ্যাটে আয়।
-আসতাছি।
-আসছে দ্যা হ্যাকার মাইন্ড ফেমাস এন্ড ফেবুলেয়াইস সুলতানা মির্জা অরফে সেনেক।(জাহিদ)
-হ্যাঁ হইছে।দুই মিনিট যেন ওয়েট না করেছে মনে হয় পুরো ওয়াল্ড ঘুরে এসেছে।(সুলতানা)
-ফাইজলামি না করে কাজে লেগে পর।আজকে আরো দুইটা সিকিউরিটি ওয়াল বসাতে হবে।(জিহাদ)
-হুম কাল নাকি এক্স গ্যাং আমাদের সিকিউরিটি ভাঙ্গতে চেয়েছিল।(কাউসার
-স্টুপিডরা এত্তো স্টুপিড নিজেরা আমাদের সিকিউরিটি ভাঙ্গতে এসে ভুলে আমাদের সিওসি চ্যালেঞ্জ দেইয়ে দেয়।তোরাতো কেউই ছিল না।আমি একলা ওদের এত্তো বামব্বু(বাশঁ) দিছি ওরা আরা দাড়াইতে পারব না।(আইমান)
-যাইহোক শুনছি আমাদেরBangla Aliment gang সম্পর্কে জানতে চেয়েছে রোভার টিম।মেসেজ আসছিল।(কাউসার)
-লিসেন গাইজ।যাইহোক না কেন।আমরা দেশের সাথে বেইমানি করব।বিদেশীদের হাতে হাত মিলাবোনা।বেইমান
-ওকে সবাই কাজে লেগে পড়।(সুলতানা)
আমরা বাংলা এলিমেন্ট গ্যাং। বাংলাদেশ সাইবার জগতে এখন ৩টা সাইবার গ্রুপ আছে যারা দেশকে হ্যাক থেকে বাঁচায়। এখন টপে আছে হলো জয় বাংলা সাইবার
গ্যাং। যাদের দাপটে প্রথিবীর বড় বড় ওয়েবসাইট কাপে।
অনেক সময় আমাদের সাইবারে সমস্যা আমরা তাদেরকে ইমেইল করতে হয়। আসলে তারা খুব দাপটের সাথে চলে। কিন্তু তারা যে কতজন সেটা সঠিক জানা যায়নি কেউ বলে হাজারের মতো হতে পারে কেউ বলে একশর মতো। আমরা আছি ২নাম্বারে।আর লাষ্ট আছে টাইগার গ্যাং।"যেই গ্যাং হোক না কেন আমরা নিজেরা কখনও জগড়া করব না " এটা বলেছে জয় বাংলা সাইবারের ডিরেক্টার। কিন্তু সুযোগ পেলে আমাদের সিকিউরিটি নষ্ট করে তারা। ওরা এটা বুঝেনা।যদি এটা বিদেশী হ্যাকারেরা জানতে পারে তাহলে আমাদের হঠাৎ আট্যাক করতে পারে।হয়তবা আমাদের নষ্ট করে দিতে পারি। এরকমই একটা দিন আমি বসে আছি টেবিলের উপড়ে ই-বুকে ক্লাসের বই পড়ছি আমি।যতই দেশের সেবা করি না কেন বাড়ির গার্জিয়ান আরতো সেটা করতে দিবে না। হঠাৎ আইমানের ফোন।
-হ্যালো।(আইমান)
-হুম বল।(সুলতানা)
-ল্যাপটপটা খুলে দেখ কি হয়েছে।
-কেন?কি হয়েছে?
-আমি বুঝতে পারছিনা।
-দাড়া আমি দেখতাছি তুই হ্লোড কর।
হ্লোড করতে বললাম হ্লোড করল না।ডাইরেক্ট কেটে দিলো।কি কিপ্টার কিপ্টা। ল্যাপটপ খুলে আমার চোখ ছানাবড়ার মতো হয়েগেল।দেখলাম আমার ল্যাপটপ লেখা উঠছে।"FINSH BANGLADESH" এরকম লেখা আছে।আমি ফেসবুকে গিয়ে সবাইকে ভিডিও চ্যাট গ্রুপের আসার জন্য ধীর ভাবে অনুরোধ করলাম।প্রায়াই সবাই আসল কিন্তু জাহিদ আসল না।হ্লায় এরকমই কামের সময় থাকে না সে।শুধু খাওয়ার সময় আর ঘুমের সময়।
নাহ ওকে উঠাতে হবে।তাকে ফোন দিলাম আমি।
-হ্লো।
-কিরে শুয়ার রাতে ফোন দেছ ক্যান???
-সাইবার শেষ।বাংলাদেশের হয়তবা সব ওয়েবসাইট হ্যাক।
-হোয়াট।
-হুম।ল্যাপটপ খুলে ভিডিও চ্যাটে আয়।
-আসতাছি।
না খুব ভালো। শুয়ারে না থাকলে হয়তবা আমরা কিছু করতে পারবোনা।শুয়ারটা পাগল হলেও জিনিয়াস।ওর বুদ্ধি ছাড়া হয়তবা এক পা নড়তে পারবো না।
ভিডিও চ্যাটে কথা বলার জন্য সবাই আসছে।
-সুলতানা কল দিয়েছিলি কেন এবার বল।(আইমান)
ভিডিও চ্যাটে কথা বলার জন্য সবাই আসছে।
-সুলতানা কল দিয়েছিলি কেন এবার বল।(আইমান)
epidode 2
ডার্ক সেনা
Dark force
লেখক:-শুক্ষকোন আহম্মেদ
পর্ব-২
-হু! তুই কি ল্যাপটপ দেখিস নি??(জাহিদ)
-নাতো।(আইমান)
-যাহ সার্ভারে।(সুলতা না)
-আচ্ছা।(আইমান)
-গাইজ।হোয়াট ইজ দিস?? এটা কিভাবে হলো?কেন হলো?(জিহাদ)
-বুঝতে পারতাছি না।(কাউসার)
-আমাদের ভূলের কারণে এটা হইছে। সবাই আমাদের থু থু দিবে।এমনকি ছোট ছোট গ্রুপও আমাদের সাথে চোখ দেখিয়ে কথা বলার সাহস পাবে।জয় বাংলা গ্রুপ হয়তবা আমাদের লাইসেন্স বাদ দিয়ে দিতে পারে।
হ্লাদের বিশ্বাস করা যায় না।(জিহাদ)
-হুম বন্ধু।ঠিক আমার ল্যাপটপে ভেসে উঠছ।
"FiNiShEd BaNgLaDeSh"(আইম ান)
-এখন কি করা যায়??(কাউসার)
-বের হবার কোন রাস্তা আছে কি??(সুলতানা)
-রাস্তাটা একটা আছে।(জিহাদ)
-কি??(জাহিদ)
-জয় বাংলা গ্যাংকে এটা জানানো।(জিহাদ)
-কিভাবে জানাবে তারা?? (জাহিদ)
-গাধা। ইমেইল বা ভয়েস মিটিং।(জিহাদ)
-ইট ইজ গুড আইডিয়া।(আইমান)
-হুম।ঠিক।(সুলতা না)
-ওকেই গাইজ।কেউ প্লিজ ঘুমাবে না।খেয়াল রাখুন যেন,সার্ভার ঠিক থাকে সকাল পর্যন্ত।(জিহাদ)
-ওকে(কাউসার)
-নাতো।(আইমান)
-যাহ সার্ভারে।(সুলতা
-আচ্ছা।(আইমান)
-গাইজ।হোয়াট ইজ দিস?? এটা কিভাবে হলো?কেন হলো?(জিহাদ)
-বুঝতে পারতাছি না।(কাউসার)
-আমাদের ভূলের কারণে এটা হইছে। সবাই আমাদের থু থু দিবে।এমনকি ছোট ছোট গ্রুপও আমাদের সাথে চোখ দেখিয়ে কথা বলার সাহস পাবে।জয় বাংলা গ্রুপ হয়তবা আমাদের লাইসেন্স বাদ দিয়ে দিতে পারে।
হ্লাদের বিশ্বাস করা যায় না।(জিহাদ)
-হুম বন্ধু।ঠিক আমার ল্যাপটপে ভেসে উঠছ।
"FiNiShEd BaNgLaDeSh"(আইম
-এখন কি করা যায়??(কাউসার)
-বের হবার কোন রাস্তা আছে কি??(সুলতানা)
-রাস্তাটা একটা আছে।(জিহাদ)
-কি??(জাহিদ)
-জয় বাংলা গ্যাংকে এটা জানানো।(জিহাদ)
-কিভাবে জানাবে তারা?? (জাহিদ)
-গাধা। ইমেইল বা ভয়েস মিটিং।(জিহাদ)
-ইট ইজ গুড আইডিয়া।(আইমান)
-হুম।ঠিক।(সুলতা
-ওকেই গাইজ।কেউ প্লিজ ঘুমাবে না।খেয়াল রাখুন যেন,সার্ভার ঠিক থাকে সকাল পর্যন্ত।(জিহাদ)
-ওকে(কাউসার)
ভিডিও মিটিং শেষ করে। ল্যাপটপে চার্জে বসিয়ে ওপেন করে রেখেছি।আসলে এবার হয়তবা বড়সড় কিছু হবে।
আমাদের ক্যারিয়ারে এর আগেও একবার হয়েছিল এটা।
অন্য দেশ আমাদের সার্ভার কঠিন ভাবে হ্যাক এবং নষ্ট করে দিয়েছিল।কিন্তু আমরা অতি কষ্টে এবং জয় বাংলা গ্যাং এর সাহায্যে কোনরকম সার্ভার আবার ফিরে পাই। যখনি আবার ফিরে পাই তখনি আবার অই দেশটিকে সনাক্ত করে তাদের একদম ফিনিশ করে দেই।
আমরা ওদের আর দাড়াতে দেই নি। আমাদের অন্য কোন সার্ভারকে হ্যাক ও নষ্ট করা আমাদের দুই হাতের কাজ। কিন্তু কেউ আমাদের টা করলে আমরা আবার পারি না। কিন্তু জয় বাংলা গ্রুপের দুটাই আছে যেমন তারা হ্যাক ও নষ্ট করতে পারে তেমন নিজের সার্ভার রক্ষাও করতে পারে। তারা নিজেরা স্বাবলম্বী।
অন্যের থেকে সাহায্য তারা নেই না।
আমাদের ক্যারিয়ারে এর আগেও একবার হয়েছিল এটা।
অন্য দেশ আমাদের সার্ভার কঠিন ভাবে হ্যাক এবং নষ্ট করে দিয়েছিল।কিন্তু আমরা অতি কষ্টে এবং জয় বাংলা গ্যাং এর সাহায্যে কোনরকম সার্ভার আবার ফিরে পাই। যখনি আবার ফিরে পাই তখনি আবার অই দেশটিকে সনাক্ত করে তাদের একদম ফিনিশ করে দেই।
আমরা ওদের আর দাড়াতে দেই নি। আমাদের অন্য কোন সার্ভারকে হ্যাক ও নষ্ট করা আমাদের দুই হাতের কাজ। কিন্তু কেউ আমাদের টা করলে আমরা আবার পারি না। কিন্তু জয় বাংলা গ্রুপের দুটাই আছে যেমন তারা হ্যাক ও নষ্ট করতে পারে তেমন নিজের সার্ভার রক্ষাও করতে পারে। তারা নিজেরা স্বাবলম্বী।
অন্যের থেকে সাহায্য তারা নেই না।
রাত প্রায় দুইটা হঠাৎ জিহাদের কল।
-হ্যালো।(জিহাদ)
-হ্যাঁ বল।(সুলতানা)
-আরে নিউজটা যদি ফেসবুকে পোষ্ট করি তাহলে কমপক্ষে এক লক্ষ লাইক পড়বে।
-হোয়াট গোইং অন জিহাদ?
-আরে জয়স বাংলা গ্যাং আমাদের ইমেইল করে বলে যে, আমাদের সাহায্য চায় তারা।
-কি জন্য??
-তাদের সার্ভারে একই লেখা উঠছে "FiNiShEd BaNgLaDeSh"
-হোয়াট।
-ব্যাপারটা অনেক সিরিয়াস।তারা বলেছে টাইগার গ্রুপেরও এরকম ঘটেছে।তাই সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।সবাইর একটা গ্রুপ ও এক জায়গায় কাজ করতে হবে।
-মানে এক ল্যাবে।
-হুম।কাল সকাল 10 টায় বঙ্গবন্ধু ভবনের পাশে খলিফাবাদ কম্পিউটার ল্যাবের উপড় তালায়।
-এবার বিশ্বাস হলো।তাদের গ্রুপে অনেক লোক।
-হয়তবা।সেই কম্পিউটার হলতো অনেক বড়।
-হুম।
-আচ্ছা সবাইকে একটু বলে ফেলিস কিন্তু এখনি।
-ওকে।বাই কাল সকাল টেইন এ কলক।
-হ্যালো।(জিহাদ)
-হ্যাঁ বল।(সুলতানা)
-আরে নিউজটা যদি ফেসবুকে পোষ্ট করি তাহলে কমপক্ষে এক লক্ষ লাইক পড়বে।
-হোয়াট গোইং অন জিহাদ?
-আরে জয়স বাংলা গ্যাং আমাদের ইমেইল করে বলে যে, আমাদের সাহায্য চায় তারা।
-কি জন্য??
-তাদের সার্ভারে একই লেখা উঠছে "FiNiShEd BaNgLaDeSh"
-হোয়াট।
-ব্যাপারটা অনেক সিরিয়াস।তারা বলেছে টাইগার গ্রুপেরও এরকম ঘটেছে।তাই সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।সবাইর একটা গ্রুপ ও এক জায়গায় কাজ করতে হবে।
-মানে এক ল্যাবে।
-হুম।কাল সকাল 10 টায় বঙ্গবন্ধু ভবনের পাশে খলিফাবাদ কম্পিউটার ল্যাবের উপড় তালায়।
-এবার বিশ্বাস হলো।তাদের গ্রুপে অনেক লোক।
-হয়তবা।সেই কম্পিউটার হলতো অনেক বড়।
-হুম।
-আচ্ছা সবাইকে একটু বলে ফেলিস কিন্তু এখনি।
-ওকে।বাই কাল সকাল টেইন এ কলক।
কলটা কেটে দিয়েছি আমি। আমার এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না।এটা কিভাবে সম্ভব।অবশ্যম্ভব কারন,জিহাদতো আর এসব ব্যাপারে মজা করবে না।যেখানে জয় বাংলা গ্যাং পৃথিবী অনেক বড় ওয়েবসাইটের সুরুক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে সেখানে ওদের সার্ভার হ্যাক হয়ে গেছে।
এটা বিশ্বাস করার মতন। সবাইকে ম্যাসেজ ফর্রোয়াড করেছি। সবাই আমাকে নানান ধরেন কথা বলছে।
কেউ বলছে,"মিথ্যুক,ফ াইজলামি করস??,মেন্টাল নাকি ইত্যাদি" কথা বার্তা আমাক হয়রান করে ফেলেছে।আমি অনেক কষ্টে ওদের বিশ্বাস করিয়েছি।আসলে বিশ্বাস করার মতো কথা ছিলো।যেখানে তারা বিশ্বের ওয়েবসাইট সুরুক্ষার দ্বায়িত নিয়েছে।সেখানে তাদের সার্ভার হ্যাক।অবিশ্বাস ঘটনা।যাইহোক জিহাদের থেকে আরেকটা মেসেজ আসল, "সুলতানা সবাই যেন আমাদের অফিসিয়াল টি-শার্ট পড়ে যায়"। আমি "ওকে" রিপ্লাই দেইয়ে।সবাইকে ফরোয়ার্ড করে দেয়।এটা শুনে সবাই ততটা রিয়েক্ট করেনি এতে রিয়েক্ট করার কি আছে?? নিজে নিজেকে কনফিউজ করলাম।
এটা বিশ্বাস করার মতন। সবাইকে ম্যাসেজ ফর্রোয়াড করেছি। সবাই আমাকে নানান ধরেন কথা বলছে।
কেউ বলছে,"মিথ্যুক,ফ
সকাল সবাই নির্ধারিত স্থানে সবাই উপস্থিত। টি-শার্ট গায়ে।যখন আমি সুলতানা টি-শার্ট গায়ে হাটছিলাম। সবাই আমার দিকে চোখ গিলে তাকিয়ে ছিল তারা।আসলে সাইবার জগতে কারো কোন সমস্যা হলে জয় বাংলা গ্যাং এর পরে আমরা রাজত্ব করি। তাই সবাই তাকিয়ে আমাদের দিকে। যাইহোক আমরা সবাই একজোট হয়ে বাংলাদেশ সাইবার জগতকে রক্ষা করার কারনে আসলাম তাদের ল্যাবের সামনে। ইয়া বড় ল্যাব কমপক্ষেতো একশ মানুষতো কাজ করবেই তাদের সার্ভারে।তারপরে ও তাদের সার্ভার হ্যাক এটা ভাবতেই বুঝা যায় যিনি হ্যাক করছেন তিনি কোন সাধারণ হ্যাকার নয় বড়সড় হ্যাকার।
আমরা ভিতরে ঢুকার জন্য যখনি পা এগাবো তখন লেজারের মতো কিছু আমাদের পথ আটকালো আর কথা থেকে যেন আওয়াজ এলো। "who are you?"
জিহাদ নির্ভয়ে উত্তর দিলো "our gang name is Bangla AlimenT gang" না জানা এক জায়গা থেকে উত্তর এলো "okey you are go now"
আমরা ভিতরে গিয়ে একটা অবিশ্বাস্য জিনিস দেখলাম।
জিহাদতো জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। এত্তো রোবটিক কম্পিউটার।আর লোক সংখ্যা.......
জিহাদ নির্ভয়ে উত্তর দিলো "our gang name is Bangla AlimenT gang" না জানা এক জায়গা থেকে উত্তর এলো "okey you are go now"
আমরা ভিতরে গিয়ে একটা অবিশ্বাস্য জিনিস দেখলাম।
জিহাদতো জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। এত্তো রোবটিক কম্পিউটার।আর লোক সংখ্যা.......
episode 3
Dark_force
লেখক:- শুক্ষকোন আহম্মেদ
লেখক:- শুক্ষকোন আহম্মেদ
তাদের লোক সংখ্যা মাত্র ২জন।যেখানে আমরা ভেবেছিলাম, হান্ডেড প্লাস হবে সেখানে মাত্র ২জন।
পৃথিবী বড় বড় ওয়েব সাইট রক্ষাকারী জয় বাংলা গ্যাং এর মেম্বার হলো দুইজন। খুবই আশ্চর্যজনক কথা।
যাইহোক আমরা নিজের কাজ মন দেওয়ার চেষ্টা করছি।
আমি সবার মুখের দিকে তাকাই সবার মুখ দেখে এরকম বুঝা যাচ্ছে মনে হয় তারা কনফিউজড হয়ে আছে।
যাইহোক তারাই আগে কথা বলল।
-আসসালামু আলাইকুম।(গ্রুপে র একজন)
-অলাইকুম আসসলাম।আমি জিহাদ। দ্যা টাইগার।এই নামে ফেমাস আমি। ফেমাস নাস্তিক ড্ডাহ ফুয়াদের ব্লগ, ইউটিউব, ফেসবুক এক্যাউন্ট আমি নষ্ট করে ফেলেছি।সিইও অফ বাংলা এলিম্যান্ট গ্যাং।(জিহাদ)
-আমি আলিফ।দ্যা এ পিকাসো। এই নামে আমি ফেমাস।
আমি আবার নিজের সুনাম কম গাই তাই কিছু বলব না।
সিইও অফ জয় বাংলা গ্যাং।(আলিফ)
-অর আই এম নিশান। দ্যা এন মুজিব।(নিশান)
-ওকে আই ইন্টার ডিওজ মাই সেলফ আই এম জাহিদ কো লিডার অফ এলিমেন্ট গ্যাং।(জাহিদ।আস লেই চাপাবাজ। হ্লায় বলল কি??ও নাকি গ্রুপে কো লিডার)
এভাবে সবাই নিজের পরিচয় দিলো। জাহিদ একটু বেশী ভাব নিয়ে বলল।
-আলিফ ব্রো। আমার মনে হয় আমরা টাইম ওয়েষ্ট করছি।(জিহাদ)
-জয় বাংলা গ্যাং কখনও টাইম ওয়েষ্ট করেনা।যদি করত তাহলে আজ তারা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাইবার গ্যাং এর ভিতরে থাকত না।(আলিফ)
-তাহলে কার জন্য অপেক্ষা করছেন?(ক্ষোভের সাথে বলল জাহিদ)
-হুম!!! খুবই সময় বাচান আপনি?? টাইগার গ্যাং এর জন্য অপেক্ষা করছি।(নিশান)
-ওওও।(সুলতানা)
পৃথিবী বড় বড় ওয়েব সাইট রক্ষাকারী জয় বাংলা গ্যাং এর মেম্বার হলো দুইজন। খুবই আশ্চর্যজনক কথা।
যাইহোক আমরা নিজের কাজ মন দেওয়ার চেষ্টা করছি।
আমি সবার মুখের দিকে তাকাই সবার মুখ দেখে এরকম বুঝা যাচ্ছে মনে হয় তারা কনফিউজড হয়ে আছে।
যাইহোক তারাই আগে কথা বলল।
-আসসালামু আলাইকুম।(গ্রুপে
-অলাইকুম আসসলাম।আমি জিহাদ। দ্যা টাইগার।এই নামে ফেমাস আমি। ফেমাস নাস্তিক ড্ডাহ ফুয়াদের ব্লগ, ইউটিউব, ফেসবুক এক্যাউন্ট আমি নষ্ট করে ফেলেছি।সিইও অফ বাংলা এলিম্যান্ট গ্যাং।(জিহাদ)
-আমি আলিফ।দ্যা এ পিকাসো। এই নামে আমি ফেমাস।
আমি আবার নিজের সুনাম কম গাই তাই কিছু বলব না।
সিইও অফ জয় বাংলা গ্যাং।(আলিফ)
-অর আই এম নিশান। দ্যা এন মুজিব।(নিশান)
-ওকে আই ইন্টার ডিওজ মাই সেলফ আই এম জাহিদ কো লিডার অফ এলিমেন্ট গ্যাং।(জাহিদ।আস
এভাবে সবাই নিজের পরিচয় দিলো। জাহিদ একটু বেশী ভাব নিয়ে বলল।
-আলিফ ব্রো। আমার মনে হয় আমরা টাইম ওয়েষ্ট করছি।(জিহাদ)
-জয় বাংলা গ্যাং কখনও টাইম ওয়েষ্ট করেনা।যদি করত তাহলে আজ তারা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাইবার গ্যাং এর ভিতরে থাকত না।(আলিফ)
-তাহলে কার জন্য অপেক্ষা করছেন?(ক্ষোভের সাথে বলল জাহিদ)
-হুম!!! খুবই সময় বাচান আপনি?? টাইগার গ্যাং এর জন্য অপেক্ষা করছি।(নিশান)
-ওওও।(সুলতানা)
অপেক্ষারত প্রায় এক ঘন্টা ধরে। আজ জানুয়ারি ২৩ তারিখ। এই দেশে নাকি ১৯৭১ সালে স্বাধীন হয়ছেল আর ৫ বছর হলে একশ বছর পূর্ন হবে।এখনও এই দেশের জাতি যতটা উন্নতি চেয়েছে ততটা উন্নত হয় নি।এখন রাস্তার কাছে মানুষ শুয়ে দেখা যায়।এর জন্য দায়ী জনগণ। কোন কাজ তারা সময়মত করে না।অলসতা গভীর তাদের জীবন। কষ্ট না করে ধনী হবার চেষ্টা করে।
প্রায় ঘন্টা খানেক হয়ে টাইগার গ্যাং এর নামগন্ধও নেই।
প্রায় ঘন্টা খানেক হয়ে টাইগার গ্যাং এর নামগন্ধও নেই।
-ব্রাদার।এত্তোক ্ষন কি করছে ওরা।ওরাতো আগে আসার কথা। ওরা জুনিয়ার ওরা হয়তবা এটা ভুলে গেছে।(জিহাদ)
-ঠিক।(জাহিদ)
-আসুক। ওদের ব্যাবস্থা আমি করছি।(আলিফ)
-আসবে কি। আমার মতে ওদের সাথে ডিল করাই উচিৎ না। যাইহোক ওদের একটা ভয়েস কল দেন।(সুলতানা)
-কোনটা উচিৎ কোনটা না উচিৎ সেইটা আমরা দেখব।আপনাদের এতে মাথা না ঘামলেই ভালো হয়।
(নিশান)
-ওকে।চুপ কর তোরা।(জাহিদ)
-ঠিক।(জাহিদ)
-আসুক। ওদের ব্যাবস্থা আমি করছি।(আলিফ)
-আসবে কি। আমার মতে ওদের সাথে ডিল করাই উচিৎ না। যাইহোক ওদের একটা ভয়েস কল দেন।(সুলতানা)
-কোনটা উচিৎ কোনটা না উচিৎ সেইটা আমরা দেখব।আপনাদের এতে মাথা না ঘামলেই ভালো হয়।
(নিশান)
-ওকে।চুপ কর তোরা।(জাহিদ)
কথা না শেষ করতে এসে হাজির হয়েছে বাংলা টাইগার গ্যাং।সেভেন মেম্বার টিম।প্রথমে এসেই তারা জিহাদের সাথে কথা না বলল না। একবারাও আমাদের সাথে বলল তারা কয়েকদিন আগের কথা প্রায়ই ভুলেই গেছে হয়তবা। কয়েকদিন আগে তাদের একজন তাদের সাথে বেইমানি করে।
এর কারন এক্স গ্যাং এদের পুরো সার্ভার হ্যাক করতেই পারল। কিন্তু ভালোই হ্যাক প্রতিরোধ করতে পারে কিন্তু এক্স গ্যাং হ্যাকিয়ে তারা এবার ধরা খেল। ওদের ধারণা, "যদি এটা জয় বাংলা গ্যাং জানতে পারে তাহলে আমাদের লাইসেন্স বাদ করে দিতে পারে।"
এই ধারণা নিয়ে আমাদের কাছে আসল তারা। আমরা অনেক কষ্ট সাধ্যের পর ওদের এইটা ঠিক। আজ ওরা আমাদের ভুলে গেছে। আসলে উপকারের কথা কাউর মনে থাকে না। এটাই বাস্তবতা। এ জন্য যে উপকার করা বন্ধ করে দেব এমনটা কিন্তু নয়। থাক বাদ এই কথা। টাইগার গ্রুপ বহুক্ষণ পর জিহাদের সাথে ভাব দেখিয়ে বলে,
-হু আর ইউ ম্যান??
-আই এম দ্যা টাইগার।
-হু টাইগার??
-সিইও অফ এলিম্যান্ট গ্রুপ।
-ওওও। আই এম টাইগার গ্রুপ সিইও। দ্যা রয়েল।
এর কারন এক্স গ্যাং এদের পুরো সার্ভার হ্যাক করতেই পারল। কিন্তু ভালোই হ্যাক প্রতিরোধ করতে পারে কিন্তু এক্স গ্যাং হ্যাকিয়ে তারা এবার ধরা খেল। ওদের ধারণা, "যদি এটা জয় বাংলা গ্যাং জানতে পারে তাহলে আমাদের লাইসেন্স বাদ করে দিতে পারে।"
এই ধারণা নিয়ে আমাদের কাছে আসল তারা। আমরা অনেক কষ্ট সাধ্যের পর ওদের এইটা ঠিক। আজ ওরা আমাদের ভুলে গেছে। আসলে উপকারের কথা কাউর মনে থাকে না। এটাই বাস্তবতা। এ জন্য যে উপকার করা বন্ধ করে দেব এমনটা কিন্তু নয়। থাক বাদ এই কথা। টাইগার গ্রুপ বহুক্ষণ পর জিহাদের সাথে ভাব দেখিয়ে বলে,
-হু আর ইউ ম্যান??
-আই এম দ্যা টাইগার।
-হু টাইগার??
-সিইও অফ এলিম্যান্ট গ্রুপ।
-ওওও। আই এম টাইগার গ্রুপ সিইও। দ্যা রয়েল।
জিহাদও চালাক। তাই জিহাদও ভাব দেখিয়ে সড়ে গেল।
যাইহোক সবাই এক বড় টেবিলে বসল সবাই নিজ যন্ত্রাংশসমূহ যেমন:- ল্যাপটপ, ইত্যাদি। আলিফ ভাই আগে কথা বলা শুরু করল,
-Attention everybody. the recently whe are hacked. কি জন্য আমরা হ্যাক হয়েছি সেই গুলা জানতে হবে আগে আপনাদের সব গ্রুপের লিডাররা বলেন।আগে বলেন দ্যা টাইগার। সিইও অফ element gang.(আলিফ)
-Hey guys. everybody know that whe are hacked infact bangladesh hacked. কখন হ্যাক হয়েছে এটা আমরা কেউই জানিনা। আমার মতে কখন আমাদের কি করে ফেলবে আমরা নিজেও জানি না। তাই আমার মতে এখন এসব ছাইপাঁশ না খুজে আমরা আগে আমাদের প্রটেক্ট করে।Save the bangladesh quickly.Please please.(জিহাদ)
-ওকে। আমার মতে আলিফ ভাই এটাই ঠিক।(নিশান)
-হ্যাঁ।(কথাটা না বলতে না বলতেই টাইগার গ্যাংয়ের সিইও আসিফ।সেই কথা ভিতরে কথা ডুকেই দিলো।
আর কথা বলতে পারল না আলিফ।)
-আরে মিয়া আমরা যদি নষ্ট যায়গাটায় খুজতে না পারি তাহলে কি মেরামত করব??(আসিফ)
-ওরাতো আমাদের বাংলাদেশের সার্ভার হ্যাক করে ফেলেছে।যখনতখন যা খুশি করতে পারে।(কাউসার)
-টিম লিডারের কথা বলবে।(আলিফ)
-ওকে যাই হোক।আগে আমরা বাংলাদেশকে প্রটেক্ট করি তারপর ওদের চিহ্নিত করে ধ্বংশ করা চেষ্টা করবো।(আলিফ)
-ওকে।(জিহাদ)
যাইহোক সবাই এক বড় টেবিলে বসল সবাই নিজ যন্ত্রাংশসমূহ যেমন:- ল্যাপটপ, ইত্যাদি। আলিফ ভাই আগে কথা বলা শুরু করল,
-Attention everybody. the recently whe are hacked. কি জন্য আমরা হ্যাক হয়েছি সেই গুলা জানতে হবে আগে আপনাদের সব গ্রুপের লিডাররা বলেন।আগে বলেন দ্যা টাইগার। সিইও অফ element gang.(আলিফ)
-Hey guys. everybody know that whe are hacked infact bangladesh hacked. কখন হ্যাক হয়েছে এটা আমরা কেউই জানিনা। আমার মতে কখন আমাদের কি করে ফেলবে আমরা নিজেও জানি না। তাই আমার মতে এখন এসব ছাইপাঁশ না খুজে আমরা আগে আমাদের প্রটেক্ট করে।Save the bangladesh quickly.Please please.(জিহাদ)
-ওকে। আমার মতে আলিফ ভাই এটাই ঠিক।(নিশান)
-হ্যাঁ।(কথাটা না বলতে না বলতেই টাইগার গ্যাংয়ের সিইও আসিফ।সেই কথা ভিতরে কথা ডুকেই দিলো।
আর কথা বলতে পারল না আলিফ।)
-আরে মিয়া আমরা যদি নষ্ট যায়গাটায় খুজতে না পারি তাহলে কি মেরামত করব??(আসিফ)
-ওরাতো আমাদের বাংলাদেশের সার্ভার হ্যাক করে ফেলেছে।যখনতখন যা খুশি করতে পারে।(কাউসার)
-টিম লিডারের কথা বলবে।(আলিফ)
-ওকে যাই হোক।আগে আমরা বাংলাদেশকে প্রটেক্ট করি তারপর ওদের চিহ্নিত করে ধ্বংশ করা চেষ্টা করবো।(আলিফ)
-ওকে।(জিহাদ)
বাংলাদেশকে ডার্ক প্রটেক্ট করা কাজ এখনও শুরু করেনি আমরা কারণ আমরা সেইভাবে প্রস্তুত না।আর টাইগার গ্রুপের আসিফ ছেলেটার প্যাচ প্যাচ ধুর ভালো লাগে না। হঠাৎ আমাদের সবার স্ক্রিনে ভেসে উঠল...
#চলবে।
next part coming soon
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন