পর্দা ও বর্তমান পরিস্থিতি








পর্দা ও বর্তমান পরিস্থিতি



-শুক্ষকোন আহম্মেদ


ইদানীং মোশারেফ দাদা "জাগো বাঙ্গালী" অনুষ্ঠানে নাকি বলেছিলেন অনেক কিছু।যাইহোক সেখানে না যাই।
তারপর নাকি জাতির কাছে সে ক্ষমা চাইছে।ভালো কথা।
ইদানীংকাল নাস্তিকরা ফেসবুকে উত্তপাত বেশী করতাছে বোরকা নিইয়া।তারা বলতাছে যে,
বোরকা শারিরিক ক্ষতিকর।(নো প্রমান)
খেলাধুলা করতে অসুবিধা।
নিত্য করা যায় না।
পড়ালেখা নাকি করা যায় না।
আমার কথা হিন্দুরাতো এসব ঝামেলা নাই।তারা কি এসব করতে পারছে???
ছেলেদের সাথে একসাথে পড়াশুনা করাটা কি বেশী জরুরী।
ইসলাম আপনাদের ঘর বন্দি করে রাখে নাই। সৌদিতে মহিলারা বাজারে বের হয় না। সেখানে পরুষরাতো আর তাদের কি তাকাও না। সেখানে মহিলা মহিলাদের পর্দা মানে আর পুরুষরা পুরুষদের পর্দা। তখন কেন ধ্বর্শন হয়না???
আমার মতে ধ্বর্ষন রোধ করার উপায় সমূহ:-
পর্ন সাইটা নিজে থেকে বন্ধ করা: এটাই আমার মতে মূল কারন। মানুষ এখান থেকেই সেক্স এর প্রতি আগ্রহ বাড়ে। এটাই মূল কারন। বাচ্চাদের এটা বুঝানো উচিৎ খারাপ দিকে গেলে দেশ ধ্বংস,তুমি ধ্বংস, তোমার পরিবার ধ্বংস।
পুরুষ ও নারী উভয় পর্দা: যখন তারা দুইজেন পর্দার অধিকারী হবে তাহলে কেউ কারো দিকে তাকাবেনা।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে নারীবাদীরা (গ্রাম্য ভাষায় বলছি)
"আগারো খাইতে চাই,তলেরো কুরাইতে চাই" তারা চাই ছেলেরা তাদের দিকে কু-দৃষ্টি না দেখুক। কিন্তু তারা (ততটা অশ্লীল না,আবার এতোটা ভালো না।কিন্তু যেভাবে তারা থাকে তাদের না দেখে থাকাও যায় না।এটা আমার বক্তব্য না এটা এক পুরুষের। আসলে এখানে মহিলার দোষ না পুরুষের।পুরুষেরতো রক্ত মাংস আছে)
কেউ যদি বেকার না থাকে: প্রতেকে নিজের কাজে ব্যাস্ত থাকে তাহলে আর অন্যের দিকে তাকানোর আমার মতে সময় থাকে না।
 নারীদের আলাদা সংরক্ষিত স্থান: নারীদের সংরক্ষিত স্থান যেখানে নারীরা থাকবে।এবার সেখানে আপনি ক্রিকেট,হকি,ভলিবল খেলেন সেটা আপনার ব্যাপার।
আমার সর্বশেষ কথা।শুধুই নারীরা নয় পুরুষদেরও পর্দার সম পরিমান দরকার আছে।



"যতক্ষন দেহে আছে প্রান
প্রাণপণে পৃথিবীর সড়াবো জঞ্জাল
এই বিশ্বকে এই শিশুর বাসসোগ্য করেই যাবো আমি
নবজাতকের কাছে এই আমার ধীর অঙ্গীকার"

 আহম্মেদ যত দিন আছে সাম্যের গান গাইবেই।
(বানান ভূল হলে মাফ কইরেন খালা-খালুরা)
#জয়_কলমবাজ

মন্তব্যসমূহ