-চালা শুয়ার সাইকেল চালা।
-চাচা আর ঠেলতে হারি না। মুই আর পারমুনা।একে বৃষ্টি দুইয়ে আন্নে এত্তো ভার যে যুবক মাইনেষেই ঠেলতে হারে মুই কেমনে পারমু।
-শুয়ার। এরে মোস্তাফিজ তোরে মুই কিত্তাম।
-আন্নে কিরবেন??কন মোরে কন।
-এরে মুই তোরে হপ্পে কিছু কইলাম। মুই অনেক পপুলার।রাস্তা ঘাটে পিডাপিডি করা আমাকে শোভা দেয়।তুই কি মনে কতসস??? ক তুই মোরে ক??
-তোরা মুই কি কইতাম। তুই একটা শুয়ার। তুই একটা মাদারের বাচ্চা। তোর ঘরে ভাত থাহেনা দেহি তুই যেনে মিলাদ হরে তুই হেনে যাস।মুই ঠিক কইসি নি??
- এরে মুই গত রমজানে ত্রিশটা রোজার।
-আরে নারে উনত্রিশটা রোজা হইছে।
-তোরে লই মুই যে কিত্তাম সেটা আল্লাহ মাবুদ ছাড়া কেউ জানে না। এরে (মোস্তাফিজ কলারটা শক্তভাবে ধরে) এরে মুই যদি তোরে ধরে খালের মধ্যে ধাপাস কইরা হালাইয়া।তুই শুয়ার আসিফ উঠতে পারবি নি। তুই অইলি লেদা পোলাইন।তোর শক্তি আছে কতটুক??
-এই যে পাচ্ছি মুই!!!
-কি পাইছচ্ছ??
-মুই নাচুম। মুই নাচুম।
-এরে তুই পাগল হই গেছসনি।
-কেন??
-তাইলে তুই নাচচ ক্যা??
-হোন তুই আরেকটু আগে কইলি। যে আমি লেদা পোলাইন।
-হুম তুইতো লেদা পোলাইনে।এইডা আবার বারবার বলা লাগে নাকি। বোকা ছেলে।
-তাইলে তুই মোরে কাম করাছ কেরে??তুই কি জানছ না যে শিশুরে কাম করা অন্যায়।হুলিশ ধরি লই যাইতারে।
-আসলে তুই অইলি আমার ভাই।ছুরি ছুরি।আমার আব্বা তোর ভাই। তুই অইলে আমার আব্বা। থুক্কু আমার চাচা। তোর লগে যেই কতা কইতেছিলাম যে,মুই রমজানে অতিকষ্টে ২টা ইফতার মিস করছি। অনেক কষ্ট লাগেরে মোর কষ্টে মেঘনা নদী ভরে।ইলিশ সব সাগরের মিল দৌড় দিছে।
-মুই তোর নামে কেস দিমু।
-তাক মোরে মাপ করি দে।
-দিলাম।কান্নাকাটি করিস না।আমার পা ধর তাইলে মাফ করুম।
-না শুয়ার করুম পারলে তুই কিচ্ছু কর।
-অই তুই কি কইলি।
পাটা জরিয়ে ধরে মাফ চাইল তাহিম।
এলাকার ছোট-খাটো চুরি করে তাহিম ও বাবা-মা মারা গেছে তার। তার একটা ভালো বৈশিষ্ট্য আছে:-
১. প্রতি সোমবার নামকারা মসজিদের সকাল বেলা অয় মসজিদে যায় ফজরের নামাজের জামাত শেষ হওয়ার ত্রিশ মিনিট পর।
২. ভালা টুপি -পাঞ্জাবি পড়ে মসজিদে বসে আরাম হুজুরের সাথে বসে আগে আড্ডা জমায়। কোনরকম ভালো হোটেলে গিয়া নাস্তা খাওয়াই।
৩. তার খাদেম হওয়ার চেষ্টা করে।কেউ রাজি হয়।কেউ আবার রাজি হয়না। যদি হয়ে যায়। তাহলে কয়েকটা দিন আরাম-আয়েশে কেটে যাবে তার।
-চাচা আর ঠেলতে হারি না। মুই আর পারমুনা।একে বৃষ্টি দুইয়ে আন্নে এত্তো ভার যে যুবক মাইনেষেই ঠেলতে হারে মুই কেমনে পারমু।
-শুয়ার। এরে মোস্তাফিজ তোরে মুই কিত্তাম।
-আন্নে কিরবেন??কন মোরে কন।
-এরে মুই তোরে হপ্পে কিছু কইলাম। মুই অনেক পপুলার।রাস্তা ঘাটে পিডাপিডি করা আমাকে শোভা দেয়।তুই কি মনে কতসস??? ক তুই মোরে ক??
-তোরা মুই কি কইতাম। তুই একটা শুয়ার। তুই একটা মাদারের বাচ্চা। তোর ঘরে ভাত থাহেনা দেহি তুই যেনে মিলাদ হরে তুই হেনে যাস।মুই ঠিক কইসি নি??
- এরে মুই গত রমজানে ত্রিশটা রোজার।
-আরে নারে উনত্রিশটা রোজা হইছে।
-তোরে লই মুই যে কিত্তাম সেটা আল্লাহ মাবুদ ছাড়া কেউ জানে না। এরে (মোস্তাফিজ কলারটা শক্তভাবে ধরে) এরে মুই যদি তোরে ধরে খালের মধ্যে ধাপাস কইরা হালাইয়া।তুই শুয়ার আসিফ উঠতে পারবি নি। তুই অইলি লেদা পোলাইন।তোর শক্তি আছে কতটুক??
-এই যে পাচ্ছি মুই!!!
-কি পাইছচ্ছ??
-মুই নাচুম। মুই নাচুম।
-এরে তুই পাগল হই গেছসনি।
-কেন??
-তাইলে তুই নাচচ ক্যা??
-হোন তুই আরেকটু আগে কইলি। যে আমি লেদা পোলাইন।
-হুম তুইতো লেদা পোলাইনে।এইডা আবার বারবার বলা লাগে নাকি। বোকা ছেলে।
-তাইলে তুই মোরে কাম করাছ কেরে??তুই কি জানছ না যে শিশুরে কাম করা অন্যায়।হুলিশ ধরি লই যাইতারে।
-আসলে তুই অইলি আমার ভাই।ছুরি ছুরি।আমার আব্বা তোর ভাই। তুই অইলে আমার আব্বা। থুক্কু আমার চাচা। তোর লগে যেই কতা কইতেছিলাম যে,মুই রমজানে অতিকষ্টে ২টা ইফতার মিস করছি। অনেক কষ্ট লাগেরে মোর কষ্টে মেঘনা নদী ভরে।ইলিশ সব সাগরের মিল দৌড় দিছে।
-মুই তোর নামে কেস দিমু।
-তাক মোরে মাপ করি দে।
-দিলাম।কান্নাকা
-না শুয়ার করুম পারলে তুই কিচ্ছু কর।
-অই তুই কি কইলি।
পাটা জরিয়ে ধরে মাফ চাইল তাহিম।
এলাকার ছোট-খাটো চুরি করে তাহিম ও বাবা-মা মারা গেছে তার। তার একটা ভালো বৈশিষ্ট্য আছে:-
১. প্রতি সোমবার নামকারা মসজিদের সকাল বেলা অয় মসজিদে যায় ফজরের নামাজের জামাত শেষ হওয়ার ত্রিশ মিনিট পর।
২. ভালা টুপি -পাঞ্জাবি পড়ে মসজিদে বসে আরাম হুজুরের সাথে বসে আগে আড্ডা জমায়। কোনরকম ভালো হোটেলে গিয়া নাস্তা খাওয়াই।
৩. তার খাদেম হওয়ার চেষ্টা করে।কেউ রাজি হয়।কেউ আবার রাজি হয়না। যদি হয়ে যায়। তাহলে কয়েকটা দিন আরাম-আয়েশে কেটে যাবে তার।
এরকমই এক হুজুরকে পটিয়ে ভালো খাওয়ার আশায়।
ভালো কথা হুজুর রাজি। প্রথম দিন।
ভালো কথা হুজুর রাজি। প্রথম দিন।
ফজরের নামাজ সুন্নত না পড়ে শুধু ফরজ নামাজ পড়ে নামাজ শেষ করল তাহিম। তাহিমের এই অভ্যাস পুরনো দিনের। শুয়ারটা ভালো হবে না জিবনেও। যাইহোক হুজুরের সাথে রুমে ঢুকে কুরঅান তিলয়াত শুনচ্ছে আমাগো মিলাদখোর তাহিম। তিলয়াত শেষ হুজুর ভালোই সেজেগুজে তৈরী হুজুর তাহিম এটা দেখে পুরাই খুশিতে পেটের খিদা নাই।
হুজুরে আস্তে আস্তে তার রুম থেকে বের হলো।
-এই তাহিম।তাহিম।
-জ্বি হুজুর।
-শোন আমরা মানুষের সেবা করতে যাবো কোনরকম যেন ভুল না হয়।
-জ্বি হুজুর।
খুশিতে স্মৃতিহারা সে ভুলে যাচ্ছে সে করছে।তার ভালো অভ্যাস আছে। সে কি করছে,কি করবে,কেন করব সেটা নিয়ে ভাবা তার পুরোন দিনের অভ্যাস।কিন্তু আজ সে এই ছাইপাঁশ নিয়ে ভাবল না। হুজুরের পিছনে পিছনে হাটছে তাহিম।কিন্তু তার মনে একটু সন্দেহ লাগল
এই কথাটা নিয়ে হুজুর কেন বলছে "আমরা মানুষের সেবা করতে হবে।" এটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে হাটছে তাহিম। নিজের মন থেকে উত্তর আসলে "হয়তবা মিলাদে দোয়া-টোয়া করবে সেটাকেই হয়তবা ইনি দোয়া ভাবে।"
হঠাৎ "এক বাড়িতে যেতে হবে" এই বলে বাড়ির ভিতরে ডুকে গেল হুজুর। আর পিছনে পিছনে গেল মিলাদ প্রেমিক।এক রুমের সামনে গেল হুজুর ও তাহিম।এক সুন্দরী ও স্টাইলিশ মেয়ে রুমের থেকে বের হয়ে বলল।
হুজুরে আস্তে আস্তে তার রুম থেকে বের হলো।
-এই তাহিম।তাহিম।
-জ্বি হুজুর।
-শোন আমরা মানুষের সেবা করতে যাবো কোনরকম যেন ভুল না হয়।
-জ্বি হুজুর।
খুশিতে স্মৃতিহারা সে ভুলে যাচ্ছে সে করছে।তার ভালো অভ্যাস আছে। সে কি করছে,কি করবে,কেন করব সেটা নিয়ে ভাবা তার পুরোন দিনের অভ্যাস।কিন্তু আজ সে এই ছাইপাঁশ নিয়ে ভাবল না। হুজুরের পিছনে পিছনে হাটছে তাহিম।কিন্তু তার মনে একটু সন্দেহ লাগল
এই কথাটা নিয়ে হুজুর কেন বলছে "আমরা মানুষের সেবা করতে হবে।" এটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে হাটছে তাহিম। নিজের মন থেকে উত্তর আসলে "হয়তবা মিলাদে দোয়া-টোয়া করবে সেটাকেই হয়তবা ইনি দোয়া ভাবে।"
হঠাৎ "এক বাড়িতে যেতে হবে" এই বলে বাড়ির ভিতরে ডুকে গেল হুজুর। আর পিছনে পিছনে গেল মিলাদ প্রেমিক।এক রুমের সামনে গেল হুজুর ও তাহিম।এক সুন্দরী ও স্টাইলিশ মেয়ে রুমের থেকে বের হয়ে বলল।
-হুজুর। আপনি এসেছেন।(হুজুরতো আর দিকে তাকায় না।)
-জ্বি আসছি(হুজুর)
-আজ আপনি করবেন??(মেয়েটি)
-না মানে আজ আমি না।আমার খাদেম করবে।(হুজুর)
-হ্যাঁ হ্যাঁ আমি করব।(তাহিম)
-ওকে।(মেয়েটি)
-তাহিম বিকালে দেখা হবে(হুজুর)
-জ্বি আসছি(হুজুর)
-আজ আপনি করবেন??(মেয়েটি)
-না মানে আজ আমি না।আমার খাদেম করবে।(হুজুর)
-হ্যাঁ হ্যাঁ আমি করব।(তাহিম)
-ওকে।(মেয়েটি)
-তাহিম বিকালে দেখা হবে(হুজুর)
এবার হুজুরের কথা খটকা লাগল তার।কেন রাতের কথা বলল।এবার উত্তর আসেনি মনের থেকে।
মন মানসিকতা ভালো তার। রুমে ঢুকার সাথে আলতো ভাবে জোরে চড় মারল মেয়েটি। কাকে মারল?কাকে মারল? আর কাকে তাহিম ছাড়া কাকে।
-আপনি আমাকে মারলেন।
-না আদর করব।
-করেন না করছে কে।
-চুপ শালার বেটা।কাজ কর।
-কেন কাজ করব।
-এই দেখ।হপ্পাই যেই লোক তোকে এখানে দিয়ে গেল সে কোন হুজুর টুজুর না। দালাল সে পাক্কা দালাল । তোকে আমাদের বিশজন মহিলার কাছে বিক্রি করে গেছে।কাজ করবি নো বেতন।এই সেই এগ্রিমেন্ট তোর সাইন আছে।কিছুটা পড়ালেখা জানার কারনে বাংলা রিডিং পড়তে পারে তাহিম। দেখল সত্যি ওই লোক ধান্ধাবাজ।
-আর কখনিই কি মুক্তি পাব না?
-পাবে।
-কবে সেটা পড়ে দেখা যাবে আগে কাজ কর।
মন মানসিকতা ভালো তার। রুমে ঢুকার সাথে আলতো ভাবে জোরে চড় মারল মেয়েটি। কাকে মারল?কাকে মারল? আর কাকে তাহিম ছাড়া কাকে।
-আপনি আমাকে মারলেন।
-না আদর করব।
-করেন না করছে কে।
-চুপ শালার বেটা।কাজ কর।
-কেন কাজ করব।
-এই দেখ।হপ্পাই যেই লোক তোকে এখানে দিয়ে গেল সে কোন হুজুর টুজুর না। দালাল সে পাক্কা দালাল । তোকে আমাদের বিশজন মহিলার কাছে বিক্রি করে গেছে।কাজ করবি নো বেতন।এই সেই এগ্রিমেন্ট তোর সাইন আছে।কিছুটা পড়ালেখা জানার কারনে বাংলা রিডিং পড়তে পারে তাহিম। দেখল সত্যি ওই লোক ধান্ধাবাজ।
-আর কখনিই কি মুক্তি পাব না?
-পাবে।
-কবে সেটা পড়ে দেখা যাবে আগে কাজ কর।
কাজ করে কাজ করে কাজ। আর রাত আসলে খুবই খারাপ হয় তার সাথে। পুলিশকে ফোন দিয়ে সে বলছে।যদিও পুলিশ আসে।কি যেন কুসুর কুসুর ফুসুর করে চলে যান।স্বাভাবিক মোটা শরীরের সব অংশ মোটা।বাড়ি থেকে বের হয়া যায় না।কিছু বলল বিশজনই মারধর।
পড়ে জানতে পারল সেটা পতিতালয়। তাই সে সব পুরুষদের করা দেখত। আর রাতে তাকে দিয়ে কাজ সারত মহিলারা।
সে ভাবে এটা তার জীবন।মিলাদ খাওয়ার জন্য লোভ জিবনেটা গেল তার।
পড়ে জানতে পারল সেটা পতিতালয়। তাই সে সব পুরুষদের করা দেখত। আর রাতে তাকে দিয়ে কাজ সারত মহিলারা।
সে ভাবে এটা তার জীবন।মিলাদ খাওয়ার জন্য লোভ জিবনেটা গেল তার।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন