#
শিরু কাকা
লেখক:- শুক্ষকোন আহম্মেদ
আমি আর কাকা "ওয়ান" মুভিটা দেখছিলাম। হঠাৎ কাকার ফোন বাজল "ধর লড়তে গড়তে যায় না পাওয়া,"
কাকা কি ফুসুর ফুসুর করে আমাকে বলল।
-জিহাদ!!! চল।
-কোথায়???
হাতে ধরে টেনে নিয়ে নিয়ে গেল। গাড়ীর গ্রেজের দিকে।গাড়ি আমাকে চালাতে বলল।
চালাতে সব কাহিনী বলল।তিনি বলল "বরিশালের ব্যাবসায়ী ঢাকায় হোটেলে তাকে বুলেট শুট করে মারা হলো। কঠিন উত্তেজনায় আছি আমি।
কিচ্ছুক্ষন পর আমরা পৌছে গেলাম হোটেলে। তার মৃত দেহে পড়ে আছে মাটিতে। আশে পাশে জিজ্ঞাস করার পর বলল যে, "তার সাথে তার একজন সেক্রটারিও আছে। সে পাশের রুমে বসে কাদঁছে।হাতটাও ভেঙ্গে গেছে। মেঝেতে পড়ে।"
কাকা কিছু জিজ্ঞাস করার জন্যই সেখানে গেল।কোন উন্নত পোশাকে না।জাষ্ট নরমালে।
গিয়ে দেখলাম ও টেবিলে বসে আছে। আমার মনে সদ্য তার খাবার খাওয়া শেষ।
-ইউ আর সেক্রেটারি অফ রবীন মিয়া।(যিনি মারা গেছেন তার নাম)
-ইয়েস।
-খুনের ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞাস করার ছিল।
-হু আর ইউ। আপনাকে পারমিশন দিয়েছে আমাকে কিচ্ছু জিজ্ঞাস করার জন্য।
-আই এম সি আই ডি শিরু। আমার ভাতিজার শিরু কাকা।
(একটু ঘাবড়ে বলল।)
-আই এম বেরি সরি। ইউ কেরি অন।
- আপনি রবীনের সাথে কতদিন ধরে আছেন
- সদ্য পাচ মাস।
জিজ্ঞাসে বাদে অস্থির কাকা। হঠাৎ কাকার রিভালবারটা বের করে তাকে বলল, " ইউ আর আন্ডার এরেষ্ট"
সে তার ব্যান্ডিজ করা হাত থেকে ছোট্ট রিভালবার বের করে আমার দিকে তাক করল।আর
বলল, " সামনে আগাবেন না।নইলে???"
তারপরও সামনে এগিয়ে আসছে শিরু কাকা।হঠাৎ কাকা গুল্লি করল। আমি চোখ বন্ধ করে ফেললাম। চোখ খুলে দেখলাম কাকা সামনে দাঁড়িয়ে।
আমি কাকাকে জিজ্ঞাস করলাম।
- আসামি??
- হা হা হা!!! তোর পিছনে।
পিছনে ফিরে দেখেলাম। সে কাত হয় শুয়ে আছে আমি মনে করলাম মারা গেছে হয়তবা।
- কাকা মারা যায়নিতো???
- হয়তবা মারা যায় নি। পুলিশকে ফোন দে।
আমি পুলিশকে ফোন দিয়ে কাকার সাথে গাড়িতে উঠলাম।
-কাকা তুমি কিন্তু জিনিয়াস।
-চিকন মানুষ বলে আমার পামের দরকার নাই।
-কাকা তুমি বুঝলা কেমনে উনি খুন করছে???
-তুই মনে হয় দেখেছিল যে, আমরা যখন তার ঘরে ঢুকি তাহলে সে তখন ভাত খাইচ্ছিল।
-হুম। আমরাও তাই মনে হয়চ্ছিল।
-যেহেতু আমরা জেনেছিলাম যে,ওর ডান হাতে ভেঙ্গে গেছে এবং চরমভাবে। আর তার প্লেটে কোন চামচ ছিল না। আমি হ্লাকা পাতলা নিশ্চিত ছিলাম যে, ও অভিনয় করছে। তাই শিউর হওয়ার জন্য পিস্তলটা বের করলাম।
উনিও আমার জালে ধরা পড়ল। আর তার শেষ ভূল ছিল তার তোকে গলায় ছুরি ধরা। এসে আরেকটা কেসে পড়ে গেল।
-উফ কাকা ইউ আর জিনিয়াস....
কাকা কিছু জিজ্ঞাস করার জন্যই সেখানে গেল।কোন উন্নত পোশাকে না।জাষ্ট নরমালে।
গিয়ে দেখলাম ও টেবিলে বসে আছে। আমার মনে সদ্য তার খাবার খাওয়া শেষ।
-ইউ আর সেক্রেটারি অফ রবীন মিয়া।(যিনি মারা গেছেন তার নাম)
-ইয়েস।
-খুনের ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞাস করার ছিল।
-হু আর ইউ। আপনাকে পারমিশন দিয়েছে আমাকে কিচ্ছু জিজ্ঞাস করার জন্য।
-আই এম সি আই ডি শিরু। আমার ভাতিজার শিরু কাকা।
(একটু ঘাবড়ে বলল।)
-আই এম বেরি সরি। ইউ কেরি অন।
- আপনি রবীনের সাথে কতদিন ধরে আছেন
- সদ্য পাচ মাস।
জিজ্ঞাসে বাদে অস্থির কাকা। হঠাৎ কাকার রিভালবারটা বের করে তাকে বলল, " ইউ আর আন্ডার এরেষ্ট"
সে তার ব্যান্ডিজ করা হাত থেকে ছোট্ট রিভালবার বের করে আমার দিকে তাক করল।আর
বলল, " সামনে আগাবেন না।নইলে???"
তারপরও সামনে এগিয়ে আসছে শিরু কাকা।হঠাৎ কাকা গুল্লি করল। আমি চোখ বন্ধ করে ফেললাম। চোখ খুলে দেখলাম কাকা সামনে দাঁড়িয়ে।
আমি কাকাকে জিজ্ঞাস করলাম।
- আসামি??
- হা হা হা!!! তোর পিছনে।
পিছনে ফিরে দেখেলাম। সে কাত হয় শুয়ে আছে আমি মনে করলাম মারা গেছে হয়তবা।
- কাকা মারা যায়নিতো???
- হয়তবা মারা যায় নি। পুলিশকে ফোন দে।
আমি পুলিশকে ফোন দিয়ে কাকার সাথে গাড়িতে উঠলাম।
-কাকা তুমি কিন্তু জিনিয়াস।
-চিকন মানুষ বলে আমার পামের দরকার নাই।
-কাকা তুমি বুঝলা কেমনে উনি খুন করছে???
-তুই মনে হয় দেখেছিল যে, আমরা যখন তার ঘরে ঢুকি তাহলে সে তখন ভাত খাইচ্ছিল।
-হুম। আমরাও তাই মনে হয়চ্ছিল।
-যেহেতু আমরা জেনেছিলাম যে,ওর ডান হাতে ভেঙ্গে গেছে এবং চরমভাবে। আর তার প্লেটে কোন চামচ ছিল না। আমি হ্লাকা পাতলা নিশ্চিত ছিলাম যে, ও অভিনয় করছে। তাই শিউর হওয়ার জন্য পিস্তলটা বের করলাম।
উনিও আমার জালে ধরা পড়ল। আর তার শেষ ভূল ছিল তার তোকে গলায় ছুরি ধরা। এসে আরেকটা কেসে পড়ে গেল।
-উফ কাকা ইউ আর জিনিয়াস....
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন